ভাল কথা, দিলীপ ঘোষের মুখে!‌ বিস্মিত হচ্ছেন?‌‌ পরে বলছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে প্রাথমিক ঘোষণা করেছেন। পে কমিশন রিপোর্ট দেওয়ার পর দেরি করেননি। অধিকাংশ কর্মী আনন্দিত, সেই আনন্দ তাঁরা প্রকাশও করেছেন। বেসিক পে বেড়ে হল আড়াই গুণ। সব মিলিয়ে বাড়ল ২০ শতাংশ। বিরোধীরা সন্তুষ্ট হতে পারল না। কী বলছেন, শোনা যাক। সবাই জানে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি কর্মীর সংখ্যা বেশি নয়। যাঁদের চাকরি আছে, তাঁদের বড় অংশই আছেন বেসরকারি ক্ষেত্রে। চাকরি নয়, নানাভাবে পরিশ্রম করে সংসার চালান কোনও মতে, তাঁদের ‌সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।‌ বেসরকারি ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নেই। ব্যাঙ্ক, বিএসএনএল, অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে কর্মীরাও খাদের সামনে দাঁড়িয়ে। সমাজের একটা ক্ষুদ্র অংশ সরকারি কর্মী, তাঁদের জন্য এত খরচ হবে কেন?‌ প্রশ্ন ওঠে, নিরাপত্তার দিকটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বেসরকারি ক্ষেত্রে ঝুঁকি তো থাকেই। যে নিরাপত্তার বর্মে আছেন সরকারি কর্মীরা, তার দাম আছে বলেই তো সরকারি চাকরির জন্য এত চেষ্টা মানুষের। আমরা সেই দিকটা আপাতত ছেড়ে দিলাম। সরকার পরিষেবা দেয়, কর্মীরা সম্পদ, মনে রাখি। সরকারি কর্মী সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া শোনা যাক। কো–‌অর্ডিনেশন কমিটির নেতা বললেন অনেক উল্টো কথা। তার মধ্যে একটা হল, মুখ্যমন্ত্রী কেন এক সংগঠনের সভায় ঘোষণা করলেন?‌ বলা বাহুল্য, মমতা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, প্রাথমিক ঘোষণা, চূড়ান্ত ও বৃদ্ধির বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে ক্যাবিনেট বৈঠকের পর। এক সংগঠনের নেতার প্রথম প্রতিক্রিয়া, হাউজ রেন্ট বাড়ছে কিনা, কতটা, তা তো বলা হল না!‌ ২০ শতাংশ বৃদ্ধি আয়ে। তবু প্রথম প্রতিক্রিয়া, বাড়িভাড়া ভাতা নিয়ে। বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বললেন, মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, তা হবে না। ফাঁকা ঘোষণা। এটা ভাল কথা!‌ কিছুদিনের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে, বৃদ্ধি হচ্ছেই। তখন দিলীপ ঘোষ?‌ ভিন্ন প্রসঙ্গে কুকথায় যাবেন!‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top