অযোধ্যা মামলায় পছন্দসই রায় পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বললেন, এটা কারও জয় বা কারও পরাজয় নয়। দেশবাসী একসঙ্গে এগোবেন। শান্তি। কেন্দ্রের ঘোষণা ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ প্ররোচনামূলক বার্তা দিলে, গ্রেপ্তার করা হবে। দেশে ৯০ জনকে নাকি ধরা হয়েছে। আমরা কী দেখলাম?‌ সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু বিজেপি–‌সমর্থক কুৎসিত বার্তা দিলেন। বাংলাতেও গুণধর আছেন বেশ কিছু। বক্তব্যের মূল কথা, মুসলিমদের ধুলোয় মেশানো গেছে। ধর্মনিরপেক্ষদের থোঁতা মুখ ভোঁতা করা গেছে। ধরতে গেলে কয়েক হাজারকে ধরতে হত। সংবাদ মাধ্যম, বিশেষত সংবাদপত্র দায়িত্বশীল ভূমিকায় থাকল। কোথাও চাপা উল্লাস, কোথাও উদ্বেগ ও সংযত সমালোচনা, কিন্তু উত্তেজনা ছড়ানো নয়। কংগ্রেসের কথা বলছি না, ওরা তো বিতর্কিত স্থানে রামমন্দির গড়ার পক্ষে বলেই ঘোষণা করে দিল। বিরোধীদের প্রতিক্রিয়ায় সতর্কতা, সংযম। শান্তি ধরে রাখতেই অগ্রাধিকার। ‘‌পরাজিত’‌ পক্ষের প্রতিনিধিরা, আইনজীবীরা উত্তেজক কথা বলেননি। মাননীয় বিচারপতিরা কী ভেবে এমন একপেশে রায় দিলেন, বিস্ময় আছে। আইনগত দিকটার কথাও বলেছেন বিশিষ্ট আইনজীবীরা। অনেক ফাঁক, বলা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায় চূড়ান্ত, কিন্তু অকাট্য নয়। সমালোচনা করাই যায়। কিন্তু, এমন কিছু বলা যাবে না, যা মাননীয় বিচারপতিদের রায়কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বোঝাবে। রাজনীতিকরা সংযত। রাজনীতির বাইরে একজন যা বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ। গান্ধীজির প্রপৌত্র তুষার গান্ধী বলছেন, ‘‌গান্ধী হত্যা মামলা এখন হলে নাথুরাম গডসেকে দেশভক্ত সাব্যস্ত করা হত।‌’‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top