‌রামমন্দিরের ভূমিপুজোয় অবশ্যই থাকতেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অসুস্থ থাকায় যেতে পারেননি। ২০০ জন অতিথি, সবাইকে ডাকা সম্ভব ছিল না। তবু, কিছু উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস করেছিল ‘‌বীর’‌ করসেবকরা। দঁাড়িয়ে দঁাড়িয়ে দেখেছিল পুলিশ। সেই মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিংকে দূর থেকে টেলিভিশনেও দেখা গেল না। অপকর্মের অন্যতম স্থপতি বিনয় কাটিয়ার অযোধ্যাতেই আছেন, অতিথি তালিকায় বাদ। বালাসাহেব ঠাকরে দাবি করেছিলেন, করসেবকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় ছিলেন শিবসেনা সদস্যরা। সঙ্ঘ পরিবারের নেতাদের চেয়েও উগ্র অবস্থান ছিল ঠাকরের, সন্দেহ নেই। ভূমিপুজোর দিন স্থির হওয়ার পর, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরে উপস্থিত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তঁাকেও ডাকা হয়নি। অন্য দলের কাউকে ডাকা হবে না, সিদ্ধান্ত। বাবরি মসজিদ শাবল–‌গঁাইতি দিয়ে ধ্বংস করার পর, উমা ভারতী ও মুরলীমনোহর যোশির উল্লাসের ছবি বহুল প্রচারিত হয়েছিল। উমা ভারতী প্রধানমন্ত্রীর কাছাকাছি থাকতে চাননি। সতর্কতা। মুরলীমনোহর যোশি আমন্ত্রণই পাননি। রামরথের ‘‌নায়ক’‌ লালকৃষ্ণ আদবানি রামমন্দির আন্দোলনের নিশ্চিত নেতা। বয়সের জন্য আসেননি?‌ হতে পারে। কিন্তু, ঘটনা, তঁাকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্রই পাঠানো হয়নি। আমরা সুপ্রিম কোর্টকে মান্য করি। তবু, ‘‌ঐতিহাসিক রায়’ যঁার নেতৃত্বে দেওয়া হয়েছিল, সেই রঞ্জন গগৈ বোধহয় থাকার অধিকারী ছিলেন। অবসরের পরেই সাংসদ।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top