বাংলায় সিনেমা শিল্প উন্নত, কিন্তু আর্থিক দিক দিয়ে সমৃদ্ধ নয়। মুম্বইয়ে, দক্ষিণ ভারতে একজন মাঝারি শিল্পী যা পান, বাংলার শীর্ষ অভিনেতারাও পান না সাধারণত। নাটকে বাংলার সুনাম জেগে আছে। কিন্তু, অনেক কষ্ট করে, স্রেফ ভালবেসে নাট্যমঞ্চকে সচল রাখতে হয়। তবু, কয়েকজন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব করোনা পরিস্থিতিতে উপার্জনহীন মঞ্চকর্মীদের পাশে দঁাড়িয়েছেন। প্রয়োজনের তুলনায় কম, কিন্তু চেষ্টায় ত্রুটি নেই। সিনেমার কয়েকজন শিল্পীও লোভনীয় রান্না পোস্ট না করে, বিপদাপন্ন টেকনিশিয়ানদের সাহায্য করছেন। যাঁরা করছেন, তঁাদের অভিনন্দন। চেন্নাই তথা তামিলনাড়ু সংক্রমণে প্রথম সারিতে, বিপর্যস্ত। খবর পাওয়া গেল, কমল হাসন–‌সহ কয়েকজন আর্থিক সাহায্য নিয়ে সামনে দঁাড়ালেও, অনেকে নির্বিকার। কেন রজনীকান্ত তেমন কিছু করছেন না, প্রবল সমালোচনা। মহানক্ষত্র বলেছেন, যা করব জানিয়ে করব না। করলেই ভাল। একই কথা শোনা যাচ্ছে অমিতাভ বচ্চন এবং আমির খান সম্পর্কে। ওঁরা নাকি প্রচার ছাড়াই অনেকটা করছেন। এই সময়ের সবচেয়ে বড় বলিউড স্টার অক্ষয়কুমার প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে দিয়েছেন ২৫ কোটি। টেকনিশিয়ানদের, মুম্বই পুলিশকে সহায়তা দিচ্ছেন। অভিনন্দন। শাহরুখ খান কিছুটা করছেন, করবেন। স্বরা ভাস্কর সেই অর্থে বড় স্টার নন। ভাল শিল্পী। জেএনইউ–এর প্রাক্তনী নিজে কিছুটা সংগঠিত করে আরও অনেকটা সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন। ধন্যবাদ। নানারকম চরিত্রে ভাল অভিনয় করেছেন, ‘‌দাবাং’‌ ছবির ভিলেন হিসেবে প্রভূত খ্যাতিমান সোনি সুদ। তিনি বিশেষ করে দঁাড়িয়েছেন পরিযায়ী কর্মীদের পাশে। হাজার হাজার মানুষকে ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করছেন, বিপুল অর্থ দিচ্ছেন। বাসে, বিমানেও, অনেককে ফিরিয়েছেন। যখন লোকাল ট্রেনে চড়তেন, টিকিটের ছবি দিয়ে বলেছেন, এখন নতুন যাত্রা। পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে। অভিনন্দন।  ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top