হুঙ্কার ছিল, বিজেপি যুব মোর্চার নবান্ন অভিযানে বিপুল জমায়েত হবে, ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ। এই মর্মে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল পুলিশকে। পুলিশ জানিয়ে দেয়, বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের বলে কেন্দ্রের নির্দেশ, ১০০ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। জড়ো হল টেনেটুনে ৭ হাজার, ৪ জায়গা থেকে মিছিল করে এসে। শহর অচল করে দেওয়ার গর্জন চুপসে গেল। নেতারা জোর দিলেন ‘‌পুলিশি অত্যাচার’‌–‌এ। সবাই দেখেছেন, জেনেছেন, অত্যাচার হয়নি। বাংলায় কর্মসূচি। হাজির কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, তেজস্বী সূর্য। ওঁরা কী ভাবছেন, বহিরাগত নেতা দিয়ে এখানে বাজিমাৎ করবেন?‌ কখনও কোথাও হয়েছে?‌ যুব মোর্চার ঘোষিত কর্মসূচি। নেতৃত্বে কারা?‌ বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন ছাড়াও, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, স্বপন দাশগুপ্ত, সায়ন্তন বসু, রাজু ব্যানার্জি। গেরুয়া যুবশক্তির কী করুণ হাল, স্পষ্ট হয়ে গেল। বহিরাগত নেতাদের দাপট। বয়স্ক নেতা ও কর্মীদের বেশি উপস্থিতি। কিছু কি বোঝাতে পারল বিজেপি, নিজেদের সীমাবদ্ধতা ছাড়া?‌ আন্দোলন তো দূরের কথা, কোনও সমস্যাই তৈরি করা গেল না। কী দেখা গেল?‌ কম লোক দিয়েই গুন্ডামি। অ্যাম্বুল্যান্স আটকের ফলে একজনের মৃত্যু হল। বাড়ি ফেরার পথে হুড়মুড় করে ওদের বাস চাপা দিয়ে গেল পরিবারের একমাত্র রোজগেরে এক টোটোচালককে। কৃতিত্ব বটে। প্লাবন দূরের কথা, ঢেউ দেখাই গেল না। আর এক দিক দিয়ে ব্যর্থ। নিদারুণ ব্যর্থ। উদ্দেশ্য ছিল, পুলিশকে প্ররোচিত করা। যদি গুলি চলে, দু–‌একটা লাশ পাওয়া যায়। পুলিশের দক্ষতা ও সংযমে তেমন কিছু হল না। ঢাকটা বাজল না, ফেটে গেল।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top