মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বৃহস্পতিবার বললেন, কী হয়েছে বুধবারের প্রলয়তুফানে, প্রধানমন্ত্রী দেখে যান। সাড়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার এলেন। এক কপ্টারে উঠলেন দু’‌জন, ভয়াবহ বিধ্বস্ত এলাকা দেখতে। জল, জল, জল, ধ্বংসলীলা। সাধারণত, প্রধানমন্ত্রীর সচিব ও ডাক্তার ছাড়া কপ্টারে কেউ থাকেন না। চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (‌দু’‌জন ওডিশার)‌ অন্য কপ্টারে। তৃতীয়টিতে মুখ্যসচিব–‌সহ কয়েকজন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে একজন আবদার করলেন, ‘‌আম্মো যাব!‌’‌ এবং জায়গা পেলেন। হেলিকপ্টারের শখ তঁার বড্ড বেশি। তৃপ্ত, রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। এর আগে কোনও রাজ্যে যখন কোনও প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন দুর্যোগের সময়ে, কোনও রাজ্যপাল থাকেননি। এবার হল। সাফল্য বটে!‌ বসিরহাটে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী, একটু দূরে কিছু মানুষ, হাত নাড়তে থাকলেন ধনকড়। যেন তঁাকে দেখতেই হাজির হয়েছেন ওই মানুষরা। কে জানে, হয়তো প্রবল জনপ্রিয় এই রাজ্যপাল, মোদি ও মমতার চেয়েও বেশি!‌ এবারও হয়তো অভিযোগ করবেন, ছবি ছাপা হল না সংবাদপত্রে। তিনি বসে নেই। টুইট–‌বিস্ময়। বললেন, ‘‌আমি কেন্দ্রীয় ও নানা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলাম, তাই ন্যূনতম (‌ভুল বানানে ‘‌ন্যুনতম’‌)‌ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে!‌ ছি ছি রব। পরে সংশোধন, ‘‌ন্যূনতম’‌–‌এর বদলে ‘‌ব্যাপক’‌। দুটো শব্দ যেন প্রায় সমার্থক। এবার রাজ্যপাল নিশ্চয় দুর্গত জেলাগুলোয় যাওয়ার জন্য কপ্টার চাইবেন। না পেয়ে, কটূক্তি করবেন। চালিয়ে যান।‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top