অনূ্র্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে ভারত, হাহুতাশের কিছু থাকতে পারে না। চার বার ট্রফি জিতেছে ভারত। পঞ্চমবার হলে ভাল লাগত নিশ্চয়। বাংলাদেশ ভাল খেলেই জিতেছে। যুব বিশ্বকাপ থেকে উঠে এসেছেন বিরাট কোহলি, রবীন্দ্র জাদেজা, চেতেশ্বর পুজারা, মহম্মদ কাইফ, পৃথ্বী শ, শুভমান গিলের মতো তারকারা। এই দলের যশস্বী জয়সওয়াল, রবি বিশনোই, দিব্যাংশ সাকসেনারা আগামী দিনে সিনিয়র দলে খেলবেন, আশা করা যায়। ফাইনাল ম্যাচের পর যা দেখতে হল, দুঃখজনক। দেখলাম, বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা মাঠে ঢুকে অদ্ভুত উল্লাসে মেতে উঠলেন। বোঝাই যাচ্ছিল, অসভ্যতা। আইসিসি বাংলাদেশের ৩ এবং ভারতের ২ ক্রিকেটারকে শাস্তি দিয়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা যাবে না। যাঁরা খেলেছেন, তাঁরা যুব বিশ্বকাপে এমনিতেই আর খেলবেন না। বয়স পেরিয়ে যাবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কী করবে জানি না। সাফল্যের জোয়ারে হয়তো অসভ্যতার কথা মুছে যাবে। আমরা ভাবছি ভারতের কথা। বিষান সিং বেদি এবং কপিলদেব, দুই প্রাক্তন নক্ষত্র সরাসরি বলেছেন, কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। কমবয়সি বলে নরম থাকলে ভুল হবে। সুনীল গাভাসকার, কপিলদেব, সৌরভ গাঙ্গুলি, শচীন তেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়, অনিল কুম্বলেরা কম লড়াকু ছিলেন না। বিরাট কোহলি আগ্রাসী অধিনায়ক, কিন্তু অসভ্যতা করেন না। প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানকে আউট করে উৎকট উল্লাস করতে হবে কেন?‌ পৃথিবীর সফল আন্তর্জাতিক বোলারদের দিকে তাকান। দাঁত মুখ খিঁচিয়ে গালিগালাজ করেননি। কপিলদেব বললেন, কম বয়স বলে ছেড়ে দিলে, ক্ষতি ভারতের, অভিযুক্তদের। সম্পূর্ণ একমত। আইসিসি যা করেছে, করেছে। ভারত কড়া হোক।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top