প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীন সীমান্তের কাছে গিয়ে জওয়ানদের উৎসাহিত করেছেন। ভাল কথা। তঁার সঙ্গীদের জয়গান, দেখিয়ে দিলেন মোদিজি। মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, মনমোহন সিংও সীমান্তে গেছেন একই উদ্দেশ্যে। যাই হোক, এই সফরটা দেখি। এক প্রাক্তন সেনাকর্তা বললেন, প্রধানমন্ত্রী গিয়েছেন সঙ্ঘর্ষ এলাকা থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরে। নিমো একটি পর্যটনকেন্দ্র। আরও উচ্চতায় যাওয়ার আগে জওয়ানদের উপযুক্ত করে নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন লেহ–‌তে সামরিক হাসপাতালে আহত জওয়ানদের দেখতে। ছবি দেখলাম। জওয়ানরা জখম, চিহ্ন নেই। সত্যিই কি আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন?‌ সামরিক হাসপাতাল খুব ভাল হওয়াই উচিত। কিন্তু, এমন ফিটফাট। সাদা চাদর, লাল কম্বল পরিপাটি করে সাজানো। নীচে লাল নতুন কার্পেট। চোখে লাগে। হাসপাতালটা কি অব্যবহৃত?‌ ছবিতে দেখা গেল, প্রত্যেক আহত জওয়ান সোজা হয়ে একই ভঙ্গিমায় বসে আছেন। যোগাসন হতে পারে?‌ জওয়ানরা আহত, জওয়ানরা উপবিষ্ট, ঘরেই নতুন প্রজেক্টর। কেন, বলতে পারেন কেউ?‌ হাসপাতালের প্রশস্ত কক্ষে কোনও ডাক্তার বা নার্স নেই। ওঁরা কি অন্যত্র ছিলেন?‌ চিকিৎসাব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ নন?‌ আহতদের মাথার কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার, স্যালাইনের বোতল, ওষুধপত্র থাকার কথা। ছবিতে নেই। ডাক্তার নেই, নার্স নেই, চিকিৎসাসামগ্রী নেই। প্রজেক্টর ছিল, আর ছিল মাইক্রোফোন। প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের ঘরেই বক্তৃতা দিলেন। স্বাভাবিক মনে হচ্ছে?‌ চীনের হামলায় আমরা অবশ্যই ক্ষুব্ধ। প্রধানমন্ত্রী গেছেন, ভাল করেছেন। খটকা না থাকলেই ভাল হত। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top