কোভিড–‌এর বিরুদ্ধে মানুষ লড়ছে। নানা দেশের বিজ্ঞানীরা প্রতিষেধক সন্ধানে দিবারাত্র পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কখনও শোনা যাচ্ছে, সারা গিলবার্টের নেতৃত্বে অক্সফোর্ড অনেকটা এগিয়েছে। অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রোজেনিকার এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পুণের সিরাম ইনস্টিটিউট, যারা টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বের এক নম্বর। বলা হয়েছে, সম্ভবত ডিসেম্বর মাসেই টিকা পাওয়া যাবে। এবং উৎপাদনের একাংশ পাবে ভারত। আমেরিকা, রাশিয়া, জার্মানি, চীনেও চলছে সন্ধান। ভারতের সংস্থা বায়োটেক এগোচ্ছে। শুরু হয়েছে প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা। তৃতীয় পর্যায়ের পর বোঝা যাবে, কতটা সফল। শুভস্য শীঘ্রম। অন্য দিকে, গেরুয়া মাতব্বররা সেই মার্চ মাস থেকে দিচ্ছেন আশ্চর্য নিদান। ছড়াল, রোদে ২০ মিনিট দঁাড়ালেই রেহাই। শিলের ওপর নোড়া দঁাড় করিয়ে রাখলেই নিরাপদ। দিল্লিতে হিন্দু মহাসভার গোমূত্র যজ্ঞ। গোমূত্র পার্টি। গোবর আর গোমূত্র খেলেই নাকি নিরাপদ। গোমূত্র বোতলে ভরে বিক্রি। বাংলায় দুই জায়গা থেকে বিক্রেতাদের ধরল পুলিশ। শাসকদের ঘনিষ্ঠ রামদেব বললেন, তঁার কোম্পানির ওষুধ আসলে মহৌষধি। খান এবং বঁাচুন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল সম্প্রতি বললেন, ‘‌ভাবিজি পাপড়’‌ খেলে আর কোনও চিন্তা নেই। কোভিড হবে না। মন্ত্রী কেন একটা কোম্পানির পণ্যের সচিত্র প্রচার করলেন, জবাব নেই। মধ্যপ্রদেশের প্রোটেম স্পিকার রামেশ্বর সিং বলেন, রামমন্দির নির্মাণ শুরু হলেই কোভিড বিদায়। হায় ভারত!‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top