দিল্লির বিধানসভা ভোট আসন্ন। ৮ ফেব্রুয়ারি। পাঁচ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী এবং ১৭ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপি–‌র হয়ে অসংখ্য সভা করেছিলেন। গেরুয়া হোর্ডিং পোস্টারে ভরে গিয়েছিল দিল্লি। ফল? আপ ৬৭, বিজেপি ৩। শীলা দীক্ষিতের চাপে কোনওরকম বোঝাপড়া করেনি কংগ্রেস। কত পেয়েছিল?‌ ০। লক্ষণীয়, আপ–‌এর উত্থানের পর থেকে, পাঁচ বছর আগের মহা–‌বিপর্যয়ের পরও রাজ্য কংগ্রেস নেতাদের কথায় বিজেপি–‌বিরোধিতার চেয়ে আপ–‌বিরোধিতা বেশি, অনেক বেশি। সমীক্ষা বলছে, এবার নাকি ৩ আসন পেতে পারে। বেশ। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারকে অকথ্য চাপে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। উপ–‌রাজ্যপালের মাধ্যমে যথাসম্ভব বিরোধিতা। দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন। উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতেও বাধা। এবার নির্বাচনী প্রচারে কেজরিওয়াল আবার দিল্লিকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবি তুলছেন। আন্না হাজারে নিষ্ক্রিয়। কিন্তু তাঁর সেই অনশন–‌আন্দোলনের প্রধান সংগঠক কেজরিওয়াল ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, যদি কাজ করে থাকি, ভোট দেবেন। যদি কাজ না করে থাকি, ভোট দেবেন না। কী বলবে বিজেপি?‌ দিল্লির সরকারি স্কুলগুলোকে উন্নত করেছেন এতটা যে, বেসরকারি স্কুল থেকেও চলে আসছে বহু ছাত্রছাত্রী। বিরোধীরা আড়ালে মানছেন, অভাবনীয়। জলকর ছিল, তুলে দিয়েছে আপ সরকার। ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের মাশুল দিতে হয় না। পাড়ায় পাড়ায় মহল্লা ক্লিনিক। সরকারি বাসে মহিলাদের টিকিট লাগে না। প্রকাশিত সমীক্ষা বলছে, এত বিরোধিতা সত্ত্বেও আপ পাবে ৫৯ আসন। বিজেপি ৮, কংগ্রেস ৩। দেখা যাক। সাম্প্রদায়িক প্রচার নিয়ে নেমে গেছে বিজেপি। ওদের পরীক্ষা। আর, ‘‌কাজ‌’‌ করার সূত্রে কেজরিওয়ালের পরীক্ষা।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top