কৃষি বিল অন্যায়ভাবে, অবৈধভাবে পাশ করানো হয়েছে রাজ্যসভায়। অপকর্মটির কথা জেনেই হয়তো উপরাষ্ট্রপতি তথা চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু উপস্থিত থাকেননি। যা ডেপুটি চেয়ারম্যান রঘুবংশ প্রসাদ সিং করেছেন, তা উপরাষ্ট্রপতির পক্ষে করা মুশকিল। তীব্র প্রতিবাদ জানান তৃণমূল, কংগ্রেস, আপ, সিপিএম–‌সহ বিরোধী সদস্যরা। যতটা তীব্রতা সচরাচর দেখা যায়, তার চেয়ে অনেক বেশি তীব্র। ধ্বনিভোটে বিল পাশ করিয়ে নেন রঘুবংশ। সেদিন রাজ্যসভায় গণতন্ত্রকে যেভাবে কলুষিত করা হয়েছে, নিজেদের ফোনে তুলে রেখেছেন তৃণমূল সাংসদরা। যখন প্রচারিত হবে, জনসমাজে প্রবল প্রতিক্রিয়া হতে বাধ্য। বেঙ্কাইয়া নাইডু পরদিন রাজ্যসভায় এসে ৮ জনকে সাসপেন্ড করলেন। অভূতপূর্ব প্রতিবাদের পথে গিয়ে ওই ৮ জন ধর্নায় বসলেন। সারা রাত। পরদিন সামনে রঘুবংশ। ঠান্ডা করতে গরম চা!‌ ৮ জনই প্রত্যাখ্যান করলেন। যা ঘটেছে রাজ্যসভায়, যা করেছেন ডেপুটি চেয়ারম্যান, ওই চা পানের ডাকে সাড়া দেওয়া হাস্যকর হত। রঘুবংশ বাড়ি ফিরেই রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখলেন, বিরোধী সাংসদরা সভায় কী দুর্ব্যবহার করেছেন। তিনি গভীরভাবে আহত বোধ করছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি টুইট করে বললেন, ‘‌মহৎ রঘুবংশজি। বিহারের গণতন্ত্রিক পরম্পরার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তঁার চা ইত্যাদি।’‌ বিহারের নামটা জুড়ে দেওয়া হল, রঘুবংশ বিহারের শাসক দলের এবং বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। একটা তথ্য চেপে রাখা হল। সাংসদরা লক্ষ করেছিলেন। রঘুবংশ গিয়েছিলেন রাজ্যসভা টিভি এবং অন্য একটি চ্যানেলের ক্যামেরা নিয়ে। মহত্ত্ব নথিবদ্ধ রাখার জন্য। চা নাটক।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top