১৫ নভেম্বর রাজ্য জুড়ে পালিত হল রসগোল্লা উৎসব। সেদিন আবার ছিল শিশু দিবস। ফলে রসগোল্লা আর ছোটদের হয়েছিল রসের মিলন। রসগোল্লা খেতে বড় ছোট সকলেই ভালবাসে। তবে ‘‌ছোট’‌ আর ‘‌রসগোল্লা’‌ যেন মণিকাঞ্চন যোগ। ছোটবেলায় রসে টইটুম্বুর সাদা নধর রসগোল্লা কার জিভে না জল এনেছে?‌‌ আজ যারা ছোট তারাও জানে। রসগোল্লাটি তো বটেই, হাঁড়ি বা ভাঁড়ে পড়ে থাকা রসটুকুও চেটেপুটে খাওয়ার জন্য কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। অনুষ্ঠানে, উৎসবে রসগোল্লা থাকলে যেন বাড়তি মজা। হঁাড়ি থেকে খাওয়া পর্যন্ত সবটাই একটা হইচই। শুধু মুখ নয়, রসগোল্লা গোটা ছেলেবেলাটাকেই মিষ্টি করে রাখে। বড়রাও বাদ যায় না। এখন শহুরে ছোটদের জন্য খাবারের নানারকম আয়োজন। ফাস্টফুডের ছড়াছড়ি। দোকান, রেস্টুরেন্টও সাজিয়ে বসে আছে। খাবারে নামী–দামি ব্র‌্যান্ডের শেষ নেই। তারা কিন্তু রসগোল্লাকে হারাতে পারেনি। কলকাতা আর মফস্‌সলের নামী–দামি রসগোল্লার দোকানে ভিড় লেগেই থাকে সারা বছর। রসগোল্লা উৎসবের দিন ছোটদের উৎসাহ দেখে মনে স্বস্তি জাগল। খাবারে যতই বিশ্বায়ন হোক না কেন, বাংলার রসগোল্লাকে আজও কেউ হারাতে পারেনি। সেদিন অনেকেই শিশুদের রসগোল্লা খাইয়েছেন। একই সঙ্গে রসগোল্লা উৎসব আর শিশু দিবসের এই সুযোগ ছাড়তে চাননি তাঁরা। অনাথ আশ্রমের ছেলেমেয়েদের মধ্যেও রসগোল্লা বিলি করেছেন কেউ কেউ। অতি মিষ্টি এই আয়োজন। তবে আমাদের সকলকেই মনে রাখতে হবে, শুধু একদিনের মুখমিষ্টি নয়, আমাদের শিশুরা যেন সারা বছর হাসিমুখে থাকে। অনাহার, আশ্র‌য়হীন, শিশুশ্রমিকের জীবন যেন তাদের কাটাতে না হয়।

জনপ্রিয়

Back To Top