পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং দাবি তোলেন, মদের দোকান খুলতে দেওয়া হোক। বক্তব্য, সবজি হাত দিয়ে নিতে–‌দিতে হচ্ছে, বিয়ারের বোতল বন্ধ, সরাসরি পান, বেশি ক্ষতিকর নয়। দেশে একটি রাজ্য লকডাউনের প্রথম থেকেই মদের দোকান খোলা রেখেছিল। কেরল। হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হয়েছিল। যখন ভারতে মদে ছাড় দিল কেন্দ্রীয় সরকার, দোকানে ঝঁাপিয়ে পড়লেন সুরাপ্রেমীরা। যা–‌ঘেঁষাঘেঁষি কলকাতার দু’টি ‌দোকানে। দিল্লিতে একজন আরেকজনের ঘাড়ে, ধস্তাধস্তি। চেন্নাইয়ে এমন ভিড়, যে, সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিতে হল। অনেকে বললেন, মদের দোকান খোলার অনুমতিটা দেওয়া হল কেন?‌ একটা দিক, যখন প্রাপ্য কেন্দ্রের টাকা আসছে না, পেট্রোপণ্যের সেস থেকেও আয় তলানিতে, আবগারি সূত্রে কিছুটা আয় দরকার। দীর্ঘদিন মদের দোকান বন্ধ থাকা মানে, চোলাই মদ, বিষমদের বিক্রি বাড়তে পারে। মদ নিষিদ্ধ করে বিহারে নীতীশকুমার কিছু হাততালি পেয়েছিলেন, ঘটনা। পরে দেখা গেল, বিষমদের রমরমা, অন্য রাজ্য থেকে বেআইনিভাবে ঢুকল মদ, বেশি দামে বিক্রি। এবার যখন দেশে মদে ছাড় দেওয়া হল, প্রথম দু’‌দিন ভয়ঙ্কর ভিড়। ভীতিপ্রদ। তারপর, ভিড় কমে গেল। কেন?‌ যঁারা লাইন দিয়ে এবং না–‌দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তঁাদের মধ্যে অনেকে তা বিক্রি করেন অপেক্ষাকৃত সম্পন্নদের কাছে, বেশি দামে। থাকল না। হোটেল, রেস্তোরঁা, পাব বন্ধ। বিক্রি বেশি হল না। ভয়াবহ সঙ্কটে সুরাপ্রেমীদের মধ্যে অনেকেই বুঝলেন, মদের জন্য খরচ করা যাবে না। আয় না থাকলে, ব্যয় কী করে হবে?‌ বন্ধুবান্ধব–‌সহ মদের আড্ডার দিন থাকল না। ভিড় কমে গেল মদের দোকানে।       ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top