ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ধন্যবাদ, বিশিষ্ট প্রাক্তনীদের শতবর্ষে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ করা হচ্ছে। দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত মজিদ বাসকার। ভাল। সুদূর ইরান থেকে নিয়ে আসাটা সহজ নয়। যথেষ্ট সম্মান দিয়ে আনা হল তাঁকে। শতবর্ষ অনুষ্ঠানের মুখেই, এখনও, একটা কথা বলা হচ্ছে, কলকাতায় খেলে যাওয়া বিদেশি ফুটবলারদের মধ্যে সেরা হলেন মজিদ বাসকার। আমরা এই ফুটবল–‌শিল্পীকে অবশ্যই উঁচু আসনে রাখব। কিন্তু, ‘‌সর্বকালের সেরা’‌ বিদেশি নিয়ে কিছু প্রশ্নও তুলব। প্রাক্তন ফুটবলাররা, প্রশিক্ষকরা, কর্মকর্তারা, সাধারণ দর্শকরাও তাঁদের মত দেবেন। আমরা শুধু কিছু নাম দিয়ে বলতে চাই, ওঁদের কথাও ভাবুন। পঞ্চাশের দশকে পাকিস্তান থেকে ইস্টবেঙ্গলে এসে থেকে গেছেন মাসুদ ফকরি ও হাসান। বিশেষ করে ফকরি লেফট উইঙ্গার হিসেবে দর্শনীয় ফুটবল উপহার দিয়ে গেছেন। প্রসঙ্গত, শুধু ইস্টবেঙ্গলে খেলে–‌যাওয়া ফুটবলারদের নয়, কলকাতা ময়দানে বিদেশিদের কথা বলা হচ্ছে। একটু পিছিয়ে যেতে চাই। খুব বেশি নয়। ইস্টবেঙ্গলেই চমৎকার ফুটবল খেলে দর্শকদের চমৎকৃত করেছেন এমেকা। পরে ডগলাস, মাইক ওকোরা। তাঁদের ওপরে মজিদকে রাখতেই পারেন। আরও নাম আছে। চিমা ওকোরি দুর্ধর্ষ স্ট্রাইকার। ময়দানে তাঁর কীর্তি কিছু কম নয়। কেন তিনি গুরুত্বপূর্ণ, ভাবতে হবে। সাম্প্রতিককালে ওডাফা ও রন্টি মার্টিন্স। গোল মেশিন। সব ছেড়ে দিন। একজনের কথা বিশেষভাবে বলতে চাই। হোসে ব্যারেটো। অনেক বছর মোহনবাগানের ভরসা হয়ে খেলেছেন। যেমন গোলগেটার, তেমনই গেমমেকার। মোহনবাগান দলটাকে নেতৃত্ব দিতেন সামনে থেকে। আচরণ‌?‌ আদর্শ। বলতে চাই, মজিদের ঝাঁকুনি, শুটিং, পাসিং সর্বোচ্চ মানের। কিন্তু, সেই ফর্ম–‌এ কতদিন ছিলেন?‌ ১৯৮০, ১৯৮১। শৃঙ্খলা ধরে রাখতে না পারায় তুঙ্গে থাকেননি। এক–‌দুবছর ভাল খেলে ‘‌সর্বকালের সেরা’‌ হওয়া যায়?‌ আমাদের ভোট ব্যারেটোর দিকে।    ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top