অশোক অধিকারী: নিবেদিতার জন্মের দেড়শো বছর আমরা পেরিয়ে এসেছি ২০১৭ সালে। কিন্তু প্রসঙ্গটি সর্বদাই আধুনিক। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সখ্য যখন নিবিড়, তখন কবি চাইলেন তঁার কন্যাদের কোনও একজনকে নিবেদিতা ইংরেজি ও মিশনারি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলুন। কবি প্রস্তাবও পাঠালেন নিবেদিতার কাছে। নিবেদিতা কবির অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়ে লিখলেন, ‘‌বাহির হইতে অন্য কোন একটা শিক্ষা গিলাইয়া দিয়া লাভ কী?‌ জাতিগত নৈপুণ্য ও ব্যক্তিগত বিশেষ ক্ষমতারূপে মানুষের যে জিনিসটি আছে, তাহাকে জাগাইয়া তোলাই যথার্থ শিক্ষা বলিয়া আমি মনে করি। বাঁধা নিয়মের বিদেশি শিক্ষার দ্বারা সেটাকে চাপা দেওয়া আমার কাছে ভাল মনে হয় না।’‌ 
নিবেদিতার ভাষা শিক্ষার ওপর এই বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণে কবি আনন্দিত হয়েছিলেন। আজ আরও একটি ‘‌আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস’‌–এর সামনে দঁাড়িয়ে প্রসঙ্গটি চেতনায় নাড়া দিচ্ছে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি ধরলে এবারের ভাষা দিবস ৬৮ বছরে পা দিল। আবার তার আন্তর্জাতিকতার স্বীকৃতির দিনটি (‌১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯)‌ ধরলে এবারের উদ্‌যাপন ২১ বছর ছুঁলো। 
কেমন আছে আমার আত্মপরিচয়ের ভাষা?‌ পৃথিবীতে সাকুল্যে ৩০ কোটি মানুষ বাংলায় কথা বলে। আজও বাংলা ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ভারতে দ্বিতীয়। সারা বিশ্বে পঞ্চম। মাতৃভাষা ব্যবহারের যে ক্রম সংখ্যাতাত্ত্বিকদের হাতে আছে, তাতে চীনের ১২৮ কোটির মধ্যেও ৪০ লক্ষ বাংলাভাষী রয়েছেন। ‘‌এথনোলগ’‌–এর ২২তম সংস্করণ অনুযায়ী (‌২০১৯)‌ বাংলা ভাষার স্থান ৬ নম্বরে (‌২২.‌৮৩ কোটি)‌। তথ্য ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমরা ক্রমশই নামছি। সারা বিশ্বে যে ৭০১৬টি ভাষার সন্ধান পাওয়া গেছে, তার ৯০ শতাংশই আজ বিলুপ্তির পথে। অর্ধেক ভাষা ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আমাদের রাজ্যেও যে ১২২টি ভাষা চালু আছে, তারাও খুব স্বস্তিতে নেই। অন্যদিকে একটি ট্র‌্যাজেডি আমরা তো বহন করেই চলেছি। রাষ্ট্রপুঞ্জে যে ৬টি ভাষায় কাজ হয় (‌চীনা, ইংরেজি, স্প্যানিশ, আরবি, রুশ, ফরাসি)‌ তার মধ্যে বাংলা ভাষা নেই। ভারতবর্ষে মোট চালু ভাষার সংখ্যা ১৬৫০টি। প্রতি ১৪ দিনে ১টি করে ভাষার অন্তর্জলি ঘটছে। ইউনেস্কোর ‘‌A‌tlas of world’‌s languages in danger of d‌isappearing’‌‌ ‌রিপোর্টে বিশ্বে বর্তমানে বিপন্ন ভাষার তালিকায় ভারত শীর্ষস্থানে রয়েছে। 
কিন্তু মুখের ভাষার আবেগকে কি অত সহজে খেলো করা যাবে। ভাষা আন্দোলনের যেমন একটি ইতিহাস আছে। তার শহিদত্বে সালাম বরকত–‌রফিক–‌জব্বারের মৃত্যু জয়ের পরোয়ানা আছে। তেমনই ১৯৬১ সালের ১৯শে মে আছে। সেদিন বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শিলচরে পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিতে হয়েছিল ১১ জন ভাষা শহিদকে। যাদের মধ্যে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম মহিলা ভাষা শহিদের উজ্জ্বল স্থানটি অধিকার করে আছেন কমলা ভট্টাচার্য। ভাষা আন্দোলন কোনও স্থান বা ধর্মকে প্রশ্রয় দিয়ে গায়ে পায়ে বাড়তে দেয় না। সে ধর্মনিরপেক্ষ। ধর্মনিরপেক্ষতার মহান আদর্শ যেমন তার লক্ষ্য, তেমনই কথা বলার যে সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক অধিকার, তার সুমহান ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলন ঐতিহাসিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত।
এবার একটু অন্য কথা। ২০১০ সাল। সংবাদপত্রে শিরোনাম হল ‘‌রেলমন্ত্রী ট্রেন উদ্বোধন করতে পারলেন না।’‌ ভুবনেশ্বর–‌রৌরকেল্লা ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন হবে রৌরকেল্লা থেকে। আমন্ত্রণপত্র ছাপানো হয়েছে তিনটি ভাষায়। বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজিতে। অনুষ্ঠানস্থল ওডিশায় অথচ আমন্ত্রণপত্র ওড়িয়া ভাষায় ছাপা না হওয়ায় সেখানকার মানুষের আবেগে বাধে। তাই তারা অনুষ্ঠান পণ্ড করে দেয় ও যে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করার কথা ছিল সেই ভিডিও কনফারেন্সের যন্ত্রপাতি ভেঙে দেয়। ভাষার প্রতি আবেগ মানুষকে জোটবদ্ধ হতেও বেশি সময় দেয় না। একটি আন্দোলনের জন্ম কি এভাবেই হয়?‌ যা ১৯৫২–‌র ২১শে ফেব্রুয়ারি কিংবা ১৯৬১–‌র ১৯শে মে আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে। আমরা ভাষার ওপর আক্রমণের হেতু হিসাবে বিশ্বায়নকে চিহ্নিত করেই হাত ধুয়ে বসে থাকি। কিন্তু যে অন্তঃসারশূন্য ভাষাপ্রীতিকে অন্তরে ধারণ করে সভা–সমিতিতে বক্তৃতা করি, তাতে কি একটি বারের জন্যেও আমাদের প্রীতি ও প্রভেদকে তলিয়ে দেখি। তাহলে, কিসে ‘‌মোদের গরব’‌ আর কিসেই বা ‘‌মোদের আশা’‌। ‘‌আমরি বাংলা ভাষা’‌ তো মরতেই বসেছে আমাদের এই কৃত্রিম ভাষাপ্রীতির দৌলতে। আমরা নবজাগরণের দুই সার্থক উদ্গাতা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও অক্ষয়কুমার দত্তের জন্মের ২০০ বছর পালন করছি। সময়ের থেকে শতযোজন এগিয়ে থাকা দুই ব্যক্তিত্বের মাতৃভাষার প্রতি যে আবেগ আজ থেকে অতগুলো বছর আগে ঝরে পড়েছিল, তা আমাদের স্পর্শ করে যাওয়ারই কথা। ১৮৫৪ সালে তৎকালীন বাংলার গভর্নর হ্যালিডে সাহেবের কাছে বিদ্যালয় শিক্ষানীতির যে খসড়া রূপরেখা বিদ্যাসাগর পাঠিয়েছিলেন, তার ১৯ নং অনুচ্ছেদে তিনি লিখলেন ‘‌সমগ্র স্কুল শিক্ষাদান ও শিক্ষাব্যবস্থা বাংলাভাষার মাধ্যমে হওয়াই একান্ত জরুরি, কেননা একমাত্র তার সাহায্যেই জনসাধারণের শ্রীবৃদ্ধি সম্ভব’‌। ১৮৫২ সালে বিদ্যাসাগর তঁার ‘‌নোটস্‌ অন সংস্কৃত কলেজ’‌–‌এর ৫নং দফায় লিখলেন ‘‌বাংলা ভাষায় পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ভাবধারা যথাযোগ্যভাবে প্রকাশ করতে হলে, বাংলায় বৈজ্ঞানিক পরিভাষা সৃষ্টি কমতে হবে’‌। আমরা জানি বৈজ্ঞানিক পরিভাষা সৃষ্টির ক্ষেত্রে অক্ষয়কুমার দত্তের নাম আজও ইতিহাসে খচিত। ১৮৪০ সালে ‘‌তত্ত্ববোধিনী পাঠশালা’‌র শিক্ষক হিসাবে তিনি যখন নিযুক্ত হলেন দেখলেন বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান পুস্তিকার বড় অভাব। পড়াশুনা শুরু করলেন ভূগোল, পদার্থবিদ্যা ইত্যাদি বইয়ের ইংরেজি সংস্করণ। তার থেকে পাঠশালার ছেলেদের জন্যে সহজ করে বাংলা ভাষায় লিখলেন ‘‌ভূগোল’‌, ‘‌পদার্থবিদ্যা’‌ ইত্যাদি বই। যার মধ্যে একটিতে বিজ্ঞানভিত্তিক ভাবনার উদ্রেক ঘটালেন। অন্যটিতে বিশুদ্ধ বিজ্ঞানকে ছাত্রদের উপযোগী করে তুলে আনলেন। ১৮৪৩ সালের জুন মাসে তিনি একটি সাহসী পদক্ষেপ নিলেন। ডেভিড হেয়ারের স্মরণসভায় সকলকে চমক দিয়ে বাংলায় বক্তৃতা দিলেন। বললেন, রাষ্ট্রের উদ্যোগে জাতীয় শিক্ষানীতি রূপায়ণের কথাও। অভিমত প্রকাশ করলেন, এই শিক্ষানীতি মাতৃভাষায় প্রবর্তিত হওয়া দরকার। কত বছর আগের কথা?‌ তখন সমাজটা কেমন ছিল?‌ পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে দঁাড়িয়ে আজ থেকে ১৭৭ বছর আগে মাতৃভাষার প্রতি তঁার আবেগ, সেই সঙ্গে শিক্ষার মাধ্যম হিসাবে মাতৃভাষাকে ব্যবহার করার কথা তিনি যেভাবে দার্ঢ্যের সঙ্গে বলেছেন, তাতে আমাদের ফিকে হয়ে যাওয়া মাতৃভাষার আবেগ কতখানি টাল খেয়ে যাচ্ছে তা দেখার জন্যে আজ আর কোনও দূরবিনের প্রয়োজন লাগে না।
তবুও রাষ্ট্র যখন হিন্দি দিবসে ‘‌এক দেশ এক ভাষা’‌র পক্ষে সওয়াল করে, ইসরোর প্রতিটি অভিযান হিন্দি ভাষায় দেওয়া হয়, তখন মাতৃভাষা ব্যবহারের আরও এক অশনি সঙ্কেত আমরা দেখতে পাই। যার ইঙ্গিত রয়েছে কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়ায়। সেখানেও ভাষাশিক্ষায় দ্বিচারিতা ধরা পড়েছে। হিন্দি ও সংস্কৃতকে আলাদা ভাবে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এমনকি কোঠারি কমিশনের‌ ত্রিভাষাসূত্র প্রয়োগের ভাবনা থেকেও সরে এসেছে এই শিক্ষানীতি। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছিল, প্রাথমিক স্তরে তিনটি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নিলে মাতৃভাষার গুরুত্ব হ্রাস পাবে এবং শিশুর মানসিক বিকাশ ব্যাহত হবে। ধাপে ধাপে তিনটি ভাষা শেখার কথা বলা হয়েছিল সেখানে। কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতিতে স্পষ্ট করা হল, ‘‌পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা হবে মাতৃভাষায় বা স্থানীয় ভাষায়।’‌ ইংরেজি ভাষা শিক্ষার বিষয়টি লুকিয়ে রাখা হল। আরও বলা হল, ‘‌ছাত্রদের বিভিন্ন রকম ভাষা শিক্ষায় উৎসাহিত করতে হবে’‌। রাষ্ট্রের উদ্যোগে বিদ্যালয় স্তরে মাতৃভাষা বাদ দিয়ে একটি অন্য ভাষা শিক্ষার প্রতি আসক্তি বাড়িয়ে তোলায় প্রাতিষ্ঠানিক সিলমোহর দেওয়া হল। মজার বিষয় হল, ২০০৯ সালের বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইনের ২৯ (‌চ)‌ ধারাতেও শিক্ষার মাধ্যম হিসাবে মাতৃভাষাকে আবশ্যিক করার কথা না বলে বলা হল— শিক্ষার মাধ্যম হবে যথাসম্ভব (as far as practicable) মাতৃভাষা। ‌
আমাদের বাংলা ভাষার আবেগ স্মার্ট ফোনের স্ক্রিনে বন্দি হয়ে আছে। প্রজন্মকে নিয়ন্ত্রণ করছে আন্তর্জাল। ‌এখন কেউ বই পড়ে না, জেরক্স পড়ে, গান গায় না, চিৎকার করে। ই–‌বুক তার হাতিয়ার। দু’‌কানে গোঁজা পারিপার্শ্ব বর্জিত অনুধ্যান। আর ফেসবুকে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি মিশিয়ে এক জগাখিচুড়ি ভাষার চ্যাটিং। সেই ‘সংকর’‌ বাক্য গঠনের যে আহ্লাদ, তাতে বাংলাভাষার অস্তিত্বে সবার জ্ঞাতসারেই আমরা পেরেক ঠুকে দিয়েছি। মাতৃভাষার স্বাধিকার নিয়ে আমাদের ভাবনার অন্ত থাকে না সত্য। ‘‌প্যানপেনে’‌ বাংলাভাষাকে ইংরেজিতে পড়ানোর দাবিও আজকাল উঠে গেছে। বাংলা আজও আমাদের কাজের ভাষা হয়ে উঠতে পারেনি বলে প্যানেল ডিসকাশন চলে। অমর্ত্য সেন যতই বলুন, গণতন্ত্রের স্বার্থেই আমাদের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যতই দাবি করুন, ‘‌আমি তো স্কুলে বাংলায় পড়েছি, কোনও ক্ষতি হয়নি তো’‌। আসলে একটা কৃত্রিম আশঙ্কার গভীরে আমরা সবাই নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছি। তা হল এই, বাংলা ভাষা আমার বিদেশ যাওয়া সুনিশ্চিত করতে পারবে না। আমার উচ্চ জীবিকার সঙ্গে অর্থনৈতিক তুল্যমূল্য এমন এক দঁাড়িপাল্লায় ঝুলছে, যার তুলাদণ্ডটি ধরা আছে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার বনেদিয়ানায়। অথচ মাতৃভাষার শিকড় দুর্বল হয়ে গেলে আমার বাণিজ্যে লক্ষ্মীর বসতি অসম্ভব। ইংরেজির প্রতি এই অহেতুক প্রীতি অভিভাবক শ্রেণির মধ্যে আত্মশ্লাঘা বাড়াচ্ছে ঠিকই। কিন্তু সেই শ্লাঘায় বাড়ির ছোট শিশুটির মধ্যে ‘‌ক্ষীরের পুতুল’‌, ‘‌ঠাকুরমার ঝুলি’‌ পড়ার, কিংবা অপু–‌দুর্গার ট্রেনগাড়ি দর্শনের দৌড় হারিয়ে যাচ্ছে শৈশবের ‘‌পথের পঁাচালী’‌ থেকে। এক যান্ত্রিকতার জন্ম হচ্ছে নতুন প্রজন্মের মধ্যে। ছোট থেকেই তার ডাক্তার ‘‌‌মা’‌ অথবা ‘‌শিক্ষক’‌ বা গল্পের বই নয়। তার ডাক্তার মনোবিদ। তবুও সব শেষ হয়ে যায়নি। গত ডিসেম্বরে খবর এসেছে, বাংলাভাষা লন্ডনে দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা পেয়েছে। সেখানে ৩ লক্ষ ১১ হাজার ২১০ জনের মধ্যে ৭১ হাজার ৬০৯ জন লন্ডনবাসী ইংরেজির পাশাপাশি ঝকঝকে বাংলাভাষায় কথা বলে। লন্ডনের অভিজাত এলাকা টাওয়ার হ্যামলেটে ১৮ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা বাংলা। বিলেতের বুকে যখন বাংলাভাষার এত 
গরব, তখন কবি মধুসূদন কি ‘‌পঁাজরে দঁাড়ের শব্দ’‌ দিয়ে আমাদের ঘুম ভাঙাতে পারছেন না। ‘‌হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন/‌তা সবে, (‌অবোধ আমি)‌ অবহেলা করি’‌। 
‘‌মাতৃভাষা রূপে খনি’‌ র এই আত্মমর্যাদায় বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে মাতৃভাষার বোধ। যেখানে আলফাস দোদে আমাদের বলে ওঠেন, ‘‌জাগতিক সমস্ত সম্পদ হারিয়েও মানুষ পৃথিবীতে থাকবে যদি তার ভাষা সুরক্ষিত থাকে। সেই ভাষা অবমানিত হলে সে সবই হারাবে’‌।‌‌

ভাষাস্মারক। দেশপ্রিয় পার্ক। ফাইল ছবি

জনপ্রিয়

Back To Top