আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌কালো টাকা রুখতে নোটবন্দির পর আবার বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সরকারের নজর সাধারণ মানুষের গচ্ছিত সোনার ওপর। জানা গিয়েছে, নির্ধারিত পরিমাণের বেশি সোনা গচ্ছিত থাকলে, সাধারণ মানুষকে দিতে হতে পারে কর। আয়ের সঙ্গে গচ্ছিত সোনার সামঞ্জস্য রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। তারপরেই সরকারের নির্ধারণ করে দেওয়া সোনার দরের হিসাবে অনুযায়ী ঠিক হবে, কাকে কত কর দিতে হবে। সোনা গচ্ছিত রাখার নির্ধারিত পরিমাণ কী, সেবিষয়ে নিয়ে এখনও কিছুই ঠিক হয়নি। সরকারের দাবি, বর্তমানে সোনা গচ্ছিত রাখার কোনও নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। ফলে অনেকেই কালো টাকাকে সাদা করতে সোনা কিনে রাখেন। ২০১৬ সালে নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও কালো টাকার রমরমা কমাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। আর সেই কারণেই এবার সাধারণ মানুষের গচ্ছিত সোনায় নজর পড়েছে সরকারের। জানা গিয়েছে, জমানো সোনার রসিদ দেখাতে না পারলে করের পরিমাণ বাড়তে পারে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, দু’বছর আগে জমানো সোনার উপর কর বসানোর পরামর্শ দিয়েছিল নীতি আয়োগ। তখন বিষয়টিকে সে ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের অধীনস্থ অর্থ বিষয়ক দপ্তর ও রাজস্ব বিভাগের মধ্যে ইতিমধ্যেই এক দফা আলোচনা হয়েছে। এই প্রকল্পের রূপায়ণে সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্র থেকে প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ ‘গোল্ড বোর্ড’ গঠন করা হবে। বর্তমানে সোনার বন্ড কেনার যে নিয়ম কানুন চালু রয়েছে, লগ্নিকারীদের আকৃষ্ট করতে তাতেও বেশ কিছু বদল আনা হতে পারে। অক্টোবরেই এই বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রীসভার বৈঠকে বসার কথা ছিল মোদি সরকারের।  ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top