সংবাদ সংস্থা,লন্ডন: ব্রিটেনের এক হাইকোর্টের ১৩টি ভারতীয় ব্যাঙ্কের পক্ষে জারি করা নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু বড়সড় ধাক্কা খেলেন ভারতের পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়া। ৮ মে মালিয়ার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিশ্বব্যাপী জারি হওয়া নির্দেশের বিরোধিতা করতে অস্বীকার করে ওই হাইকোর্ট। এমনকী, মালিয়ার আপিলের অধিকারও কেড়ে নেয়। ওই প্রথম বিচারক অ্যান্ড্রু হেনশ’র রায়ের মাধ্যমে কোনও ব্রিটিশ আদালত ভারতের ডেট রিকভারি ট্রাইবুনালের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে মতামত জানায়। বাধ্য হয়ে আপিল আদালতের দ্বারস্থ হন মালিয়া। কিন্তু আবেদন খতিয়ে দেখার পর তাঁর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আপিল আদালত। এমনকী, তিনি পুনরায় আপিল করতেও পারবেন না, কারণ ব্রিটেনে মাত্র একবারই কোনও আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।
ভারতের মোট ১৩টি ব্যাঙ্কের কাছে ১.১৪৫ বিলিয়ন পাউন্ডের সমতুল্য ঋণ রয়েছে মালিয়ার। তা উদ্ধারের জন্য শুধু ভারত নয়, ‌ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে মালিয়ার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য ভারতীয় বিচার বিভাগের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে ব্যাঙ্কগুলি। এদের মধ্যে এসবিআই, ইউবিআই, কর্পোরেট ব্যাঙ্ক, ইউকো ব্যাঙ্ক–সহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্ক রয়েছে। বিজয় মালিয়া ব্রিটেনে তাঁর সম্পত্তির একটি তালিকা আদালতে জমা দিয়েছেন, যার পরিমাণ ১৩,৯০০ কোটি টাকা। ব্রিটিশ আদালতের নির্দেশের ফলে যে কোনও তদন্তকারী সংস্থা মালিয়ার বাড়িতে গায়ের জোরে ঢুকতে পারবে ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। তবে মালিয়ার দাবি, তিনি সমস্ত তথ্যই আদালতকে জানিয়েছেন। কাজেই তাঁর তেউইনের লেডিওয়াকের বাড়িতে জোর করে ঢোকার কারণ নেই। এর আগে জালিয়াতির অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দেন মালিয়া। পাশাপাশি ওয়েস্টমিনস্টারের এক আদালতে ভারত সরকারের প্রত্যর্পণ মামলার বিরুদ্ধেও লড়ছেন তিনি।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top