আজকালের প্রতিবেদন
ঠিক ৬ মাস আগে সেনসেক্স ছিল ৩০ হাজার পয়েন্টের নীচে। তারপর উত্থান–পতনের মধ্যে দিয়ে একমাস আগে তা পৌঁছে যায় ৪০ হাজার পয়েন্টের কাছাকাছি। গত ১৬ তারিখে সেনসেক্স ছিল ৩৯,৩০৩ পয়েন্টে। তারপর শুরু হয় পতন। বৃহস্পতিবার একদিনে সেনসেক্স পড়ে গেল ১,১১৪.‌৮২ পয়েন্ট। তারপর শেষ আধ ঘণ্টায় সামান্য উঠল। কিন্তু কাল দিনের শেষে যা ছিল ৩৭,৬৬৮.‌৪২ পয়েন্টে, আজ সেই সূচক দিনের শেষে দাঁড়াল ৩৬,৬৪২.‌৬০ পয়েন্টে। একইভাবে পড়েছে নিফটি–ও। ফলে, বিনিয়োগকারীদের মনে ফিরে এসেছে হতাশা ও আশঙ্কা।
কিন্তু কেন এই পতন?‌ এককথায় বললে, ইওরোপ–আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থা ও কোভিড পরিস্থিতিই এর কারণ। কাল রাতে মার্কিন দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোতে ধস নেমেছিল। কারণ, সেখানকার সরকারি বিশেষজ্ঞরাই বলছেন, যা ভাবা হয়েছিল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তার থেকে অনেক খারাপ। আর ইওরোপে ফিরে আসছে কোভিডের নতুন ভয়। লন্ডন–সহ একের পর এক শহর নতুন করে লকডাউন বা অন্যান্য ধরনের কড়াকড়িতে ফিরে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে ব্যবসা–বাণিজের আশু ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন আশঙ্কা।
তারই জেরে সেনসেক্স, নিফটি সবই আজ প্রায় ৩ শতাংশ পড়ে যায়। গত ৬ ‌দিনে সূচকগুলো ঠিক সেই ভাবেই নামতে শুরু করেছিল যেমনটা ঘটেছিল ৬ ‌মাস আগে। ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্কের সূচক আজ সেনসেক্স অনুযায়ী পড়েছে ৭.‌১৬ শতাংশ। বাজাজ ফিনান্স পড়েছে ৬.‌৬৩ শতাংশ। টেক মহিন্দ্রা, টিসিএস, টাটা স্টিল পড়েছে ৪ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে। শুধু বড় সংস্থাগুলোই নয়, পড়েছে ছোট ও মাঝারি সংস্থাগুলোর শেয়ারও। এই পতন আরও কিছুদিন চলতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। তার ফলে দেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়াও শ্লথ হয়ে পড়তে পারে। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top