সংবাদ সংস্থা
দিল্লি, ২৬ সেপ্টেম্বর

কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (‌ক্যাগ)‌–এর অভিযোগ অস্বীকার করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক বলছে, ২০১৭–১৮ বা ২০১৮–১৯ সালে জিএসটি সেস–এর টাকা মোটেই অন্য খাতে সরিয়ে দেওয়া হয়নি। বরং রাজ্যগুলোর ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য সব টাকাই রাজ্যগুলোকে দেওয়া হয়েছে বলে অর্থমন্ত্রকের সূত্র জানিয়েছেন। তাহলে কেন ক্ষতিপূরণ তহবিলে পুরো টাকাটা জমা পড়েনি, তার কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা অবশ্য পাওয়া যায়নি।
ক্যাগ–এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৭–১৮ সালে ক্ষতিপূরণ তহবিলে যত টাকা যাওয়ার কথা ছিল তার থেকে ৬,৪৬৬ কোটি টাকা কম জমা করা হয়েছিল। পরের বছর ওই পরিমাণ বেড়ে হয় ৪০,৮০৬ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রক সূত্রে বলা হয়েছে, ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য কত হবে তার একটা আনুমানিক হিসাব আগেই করা হয়। কারণ, পুরো তথ্য পেতে পেতে আর্থিক বছর পার হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আদায় যদি আনুমানিক হিসেবের থেকে বেশি হয়, তাহলে অতিরিক্ত টাকা ভারতের সংবিধান তহবিল বা সিএফআই–এ জমা থাকে। এটাকে টাকা ‘‌অন্য খাতে সরানো’‌ বলে চিহ্নিত করা যায় না বলে মন্ত্রক দাবি করেছে।
কিন্তু পরে কেন তা রাজ্যগুলোকে মিটিয়ে দেওয়া হয়নি?‌ এই বিষয়টি মন্ত্রকের সূত্র ‘‌নিছক ভুল’‌ হিসেবে দেখাতে চেয়েছেন। তাতে অবশ্য বিতর্ক থামার কোনও কারণ নেই। বরং এই ধারণাই জোরদার হচ্ছে যে ওই টাকা কেন্দ্র অন্য খাতে ব্যবহার করেছে, যাতে রাজস্ব ঘাটতি কম করে দেখানো যায়। এখন যখন কোভিড পরিস্থিতির জন্য রাজ্যগুলোকে কেন্দ্র ক্ষতিপূরণ দিতে পারছে না, তখন এই বিতর্ক আরও জোরদার হবে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top