আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভারতকে আত্মনির্ভর করে তুলতে প্রয়োজন দেশেই কাঁচামালের উৎপাদন। এমন ১৫টি পণ্য চিহ্নিত করে ফেলেছে বণিকসভা অ্যাসোচ্যাম, যা কিনা ভারতকে আগামীদিনে চীন–নির্ভরতা কাটাতে সাহায্য করবে। সংস্থার দাবি, ওই ১৫টি পণ্য ও কাঁচামালের অধিকাংশই আসে চীন থেকে। ফলত আগামী দু’‌–তিন বছরের মধ্যে ভারতকে আত্মনির্ভর গড়ে তুলতে হলে যে কোনও প্রকারেই পণ্যগুলির দেশের মাটিতে উৎপাদন বাড়াতে হবে। পণ্যগুলির মধ্যে রয়েছে ওষুধ, বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ, কয়লা, লোহা–ইস্পাত, কিছু বিশেষ ধাতু, উদ্ভিজ্জ তেল, রাসায়নিক, পরিবহন যন্ত্রাংশ, সার ইত্যাদি। দেখা যাচ্ছে, বিদেশ থেকে বেশিরভাগ বৈদ্যুতিন যন্ত্রাপাতিই আমদানি করে ভারত। মে–মাসে লকডাউনেও প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশ আমদানি করে ফেলেছে ভারত। অন্যসময়ে তো প্রতি মাসেই অন্তত ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের আমদানি হয়। এতে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা বেড়িয়ে যাচ্ছে, যা কিনা আটকানো প্রয়োজন। মনে করছে অ্যাসোচ্যাম। বণিকসভার কর্তা দীপক সুদ বলছেন, দেশের পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে করতে হবে লগ্নি। দেশীয় পণ্য ও কাঁচামালের মান বিশ্ব বাজারের মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেটাও দেখতে হবে। ভারতে কাছে এই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, কত কম খরচে উচ্চমানের কাঁচামাল তৈরি করা যাচ্ছে দেশে। 
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের এখনও সেই পরিকাঠামো বা সামর্থ্য নেই, যার ওপর ভর করে চীনা কাঁচামাল আমদানিতে পাঁচিল তুলতে পারে কেন্দ্র। কম দামের কাঁচামালের জোগান শৃঙ্খলে বাধা পড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের শিল্পপণ্য উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো। সেবিষয়ে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রপ্তানি শিল্প, বৈদ্যুতিন পণ্য ও মোবাইল হ্যান্ডসেট নির্মাতা, গাড়ি ও তার যন্ত্রাংশ সংস্থা এবং ওষুধ শিল্প।   

জনপ্রিয়

Back To Top