আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোভিড–১৯ পরিস্থিতির পর যেখানে দেশের বেশিরভাগ শিল্পই সরকারি আর্থিক প্যাকেজের জন্য মুখিয়ে আছেন। সেখানে হিরো সাইকেলের চেয়ারম্যান তথা এমডি পঙ্কজ মুঞ্জল চাঁছাছোলা ভাষায় পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‌আমরা কোনও সহায়তার জন্য বসে নেই। আমাদের কোনও ঋণ নেই। হিরো সাইকেল এবং হিরো মোটরের কোনও সহায়তার দরকার নেই। আমাদের আন্তর্জাতিক বাজারে ঘাটতি আছে। লকডাউনের জন্য বিএমডব্লু লাইন, ডুক্যাটি লাইন, হারলে লাইন সহ বিভিন্ন লাইনে সরবরাহে ঘাটতি হয়েছে। তাই আমাদের জোরকদমে কাজ করতে হবে।’‌ প্রসঙ্গত, বিএমডব্লু, ডুক্যাটির মতো বড় কোম্পানিগুলিকে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে হিরো মোটর। লকডাউন শিথিল হওয়ায় হিরো সাইকেলের মাত্র ৩০–৪০ শতাংশ ডিলারই ফের ব্যবসা চালু করেছে। কিন্তু আর্থিক উন্নতি নিয়ে আশাবাদী মুঞ্জল ইতিমধ্যেই পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় হিরো সাইকেলের আটটি কারখানাতেই উৎপাদন শুরু করে দিয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠ অফিসারদের বিহারে পাঠিয়েছেন তাঁর কোম্পানির শ্রমিকদের কারখানায় ফিরিয়ে আনতে। মুঞ্জলের আশা, সরকার নিশ্চয়ই সাইকেলের জিএসটি ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করবে। তাঁর অভিযোগ, যেখানে দেশের কমপক্ষে এক কোটি সাধারণ মানুষ সাইকেল ব্যবহার করেন সেখানে এই যানের জিএসটি বেশি ই–বাইকের থেকে। ই–বাইকের জিএসটি পাঁচ শতাংশ। মুঞ্জলের মতে, সাইকেলের উপর জিএসটি কমলেই উৎপাদন এবং জোগান বাড়বে। হিরো সাইকেল এবং হিরো মোটর হকার এবং ছোট জোগানদারদের নিজেদের মতো সাহায্য করছে। তবে মাঝারি, ছোট এবং ক্ষুদ্র শিল্পগুলিকে কেন্দ্রের বেশি পরিমাণে সহায়তা করা উচিত বলেই মনে করছেন পঙ্কজ মুঞ্জল।    

জনপ্রিয়

Back To Top