আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌অশনিসঙ্কেত বয়ে আনছে রাজকোষ ঘাটতি! ইতিমধেই‌ তা সারাবছরের লক্ষ্যমাত্রার ৫৮.‌‌৬%–এ পৌঁছে গিয়েছে লকডাউনের দু’‌মাসে। এই সময়ে কেন্দ্রের কর আদায় কমেছে। এদিকে করোনা আবহে কেন্দ্রের খরচও বেড়েছে। অর্থাৎ আয় কমেছে, ব্যয় বেড়েছে কেন্দ্রের। বাজেটে অনুমান করা হয়েছিল, ২০২০–২১ অর্থবর্ষে রাজকোষ ঘাটতির মাত্রা হবে ৭.‌৯৬ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ জিডিপি ৩.‌৫%। সেখানে গত দু’‌মাসেই রাজকোষ ঘাটতির অঙ্ক ৪.‌৬৬ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থবর্ষের শেষে আসল অঙ্কটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে, সেটা ভেবেই রাতের ঘুম উড়েছে মোদি সরকারের। এপ্রিল–মে মাসে সরকারের আয় হয়েছে ৪৪,৬৬৭ কোটি টাকা। বাজেট অনুমানের ২.২%। অথচ মোট খরচ ছুঁয়েছে ৫.১১ লক্ষ কোটি। বাজেট অনুমানের ১৬.৮%। বিগত দেড় বছর ধরেই দেশের অর্থনীতিতে ঝিমুনি চলছিল। তাতে খাঁড়ার ঘা বসিয়ে করোনা। ২৫ মার্চ থেকে জুন মাসের আগে পর্যন্ত বন্ধ ছিল উৎপাদন। তালা ঝুলছিল কলকারখানায়। আর তার প্রমাণ হাতেনাতে মিলেছে দেশের মূল আটটি পরিকাঠামো ক্ষেত্রে উৎপাদনে। এপ্রিলের মতো মে মাসেও উৎপাদন ২৩.‌৪% সঙ্কুচিত হয়েছে। ঋণ বৃদ্ধির হারও কমেছে ৭%। 
ঋণ, বাজেট ঘাটতি, রাজকোষ ঘাটতি– সব মিলিয়ে দেশের অর্থনীতি গলা জলে ডুবে। অর্থনীতির বহর ৫–৬% সঙ্কুচিত হওয়ার পূর্বাভাষ দিয়েছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মূল্যায়ণকারী সংস্থা। সঙ্কোচনের ইঙ্গিত দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কও। বিশেষজ্ঞদের দাবি, কম সময়ে অর্থনীতির ঘা মেরামত করা কঠিন হবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top