আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে পুঁজি বিনিয়োগ করুক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি। মঙ্গলবার দেশের ২৩টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেই বৈঠকেই এই নির্দেশ দেন তিনি। চলতি অর্থবর্ষে মোট ১.‌৬৬ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রাও বেঁধে দেন তিনি। এদিন দেশের অর্থনৈতিক বহর সঙ্কোচনের আশঙ্কা মেনে নিয়েও ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষণ নাকি ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে বলে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এবং নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি যদি এই সময়ে বিনিয়োগ বাড়ায়, তাহলে অর্থনীতির চাকার গতি তরান্বিত হবে। চলতি অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে সংস্থাগুলিকে ব্যয়ের অন্তত ৫০% পুঁজির বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে বলেন তিনি। গত অর্থবর্ষের তুলনায় এবছর বিনিয়োগ কম হয়েছে। হিসেব দিয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, গত অর্থবর্ষে এই সময়ে লক্ষ্যমাত্রার ১৬% পুঁজি বিনিয়োগ করে ফেলেছিল সংস্থাগুলি। যেখানে ২০২০–২১ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১২% বিনিয়োগ সম্ভব হয়েছে। গত বছর গোটা অর্থবর্ষে বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১.‌৬৫ লক্ষ কোটি। যেখানে অর্থবর্ষের শেষে মোট বিনিয়োগ হয়েছিল ১.‌৬৬ লক্ষ কোটির। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে ১০১%। কেন এবছর বিনিয়োগ কম হল?‌ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, আমদানিতে বিলম্ব এবং আয় কমে যাওয়ার কারণেই বিনিয়োগের মাত্রা কমেছে। পাশাপাশি মহামারীর জ্বালায় কম সংখ্যক লোক নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে সংস্থাগুলিকে। ফলে কাজে গতি নেই। এক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জ্বালানি এবং পারমাণবিক শক্তির সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলি।    

জনপ্রিয়

Back To Top