আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ যেহেতু আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের মুখ্য অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ ভারতের অর্থনৈতিক মন্দার সমালোচনা করেছেন। এবং পরামর্শ দিয়েছেন বিনিয়োগ টানার। সেহেতু এবার বিজেপির নেতামন্ত্রীদের অপমান এবং বাক্যবাণের নিশানায় থাকবেন তিনিই। এমনটাই মনে করছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম। মঙ্গলবার টুইটারে একথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘‌আইএমএফ–এর মুখ্য অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথই নোটবন্দির অন্যতম প্রথম সমালোচক। এবার আমাদের তৈরি থাকতে হবে সরকারের মন্ত্রীরা কখন আইএমএফ এবং গীতা গোপীনাথের উপর আক্রমণ করবেন।’‌
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার গীতা বলেছিলেন, ‘বিশ্বের জিডিপি–তে বর্তমানে ভারতের অর্থনীতির যা অবস্থান, তাহলে যদি আমরা ভারতের দিকে তাকাই, দেখব, তাৎপর্যপূর্ণভাবে ভারতের সংস্করণ নীচে নেমেছে। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধিতে। তাই আমরা বিশ্বের বৃদ্ধি ২০১৯–এ এক শতাংশ নামিয়ে এনেছি। আর এর পুরোটাই ভারতের ঘাটতির কারণ। ‌প্রাথমিকভাবে ভারতের মতো উন্নয়ন‌শীল দেশগুলির অর্থনৈতিক মন্দা প্রতিফলিত হচ্ছে এই নিম্নগামী সংস্করণে।

আগামী দুবছরে বৃদ্ধির হারে যা আরও লাগাম টানবে। কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক অস্থিরতাও এই ঘাটতির অন্যতম কারণ।’
এই সমস্যার সমাধানের জন্য ভারতের প্রচুর বিনিয়োগের প্রয়োজন বলে মনে করছেন গীতা। আমাজনের সিইও জেফ বেজোসের তিন দিনের ভারত সফরে এসে এখানে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ইচ্ছাপ্রকাশ এবং তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অনীহার ব্যাপারটিও নাম না করে উল্লেখ করেন গীতা। তাঁর সাফ বক্তব্য, ‘ভারতের প্রচুর বিনিয়োগ দরকার। দেশের জন্য বাধ্য হয়েই বিনিয়োগে উৎসাহ জোগানো উচিত। ভারতে ঘরোয়া বিনিয়োগকে পুনর্জীবিত করতে হবে। ‌ক্রেতারা বেশি ব্যয় করছেন না। তাই আমার মনে হয়, আরও বড় বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। যাতে মূলধন বাড়ে এবং ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি হয়।’‌  
২০১৯–২০ অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার পাঁচ শতাংশের নীচে চলে যাবে বলে আগেই সতর্ক করেছিলেন গীতা। সেকথা উল্লেখ করে টুইটারে তাঁর কটাক্ষ, যে ৪.‌৮ শতাংশ বৃদ্ধি দেখানো হচ্ছে, তা আসলে উপরের সাজগোজ।
ছবি:‌ এএনআই

জনপ্রিয়

Back To Top