আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতি। সাধারণ মানুষের হাতে টাকা নেই। বাজারে চাহিদা নেই। একেবারে ভেঙে পড়েছে অর্থব্যবস্থা। এমন অবস্থায় আরও চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে আনল কেন্দ্রের নীতি আয়োগ। বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচকের বিচারে দেশে বাড়ছে দারিদ্র, ক্ষুধা, আয় বৈষম্য। জীবনযাত্রার মানও খারাপ হচ্ছে দ্রুত হারে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সহ দেশের মোট ২২ থেকে ২৫ রাজ্যে ক্রমেই বাড়ছে দারিদ্র। নীতি আয়োগ জানাচ্ছে, ২০১৮ সালের পর থেকেই বিহার, ওডিশা, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড প্রবল হারে দারিদ্র বেড়েছে। খানিক উন্নতি লক্ষ্য করা গিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সিকিমে। আয় বৈষম্য তীব্রতর হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। নীতি আয়োগ জানাচ্ছে, বিগত ৪০ বছরে এমন আয় বৈষম্য কখনও তৈরি হয়নি দেশে। দেশের অধিকাংশ পরিবারের মাথাপিছু খরচ ক্রমেই নিম্নগামী হয়েছে। ২০১১–১২ সালে যেখানে প্রতি পরিবারের খরচ ছিল ১৫‌০১ টাকা, সেখানে ২০১৭–১৮ সালে সেটা দাঁড়ায় ১৪৪৬ টাকায়। দেশ এবং আন্তর্জাতিক স্তরে অর্থনীতিবিদরা কেন্দ্রের মোদি সরকারকে বারবার অনুরোধ করছেন, কোনও তথ্যই লুকোবেন না। তাতে সমস্যা আরও বাড়বে। নীতি আয়োগের বক্তব্য, আয় বৈষম্য, দারিদ্র দূরীকরণ কমাতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এখনও সেইভাবে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। 
বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচকের বিচারে ২০০৫–০৬ থেকে ২০১৫–১৬ সালের মধ্যে দারিদ্র, ক্ষুধা, আয় বৈষম্য অনেকটাই কমিয়ে আনা গিয়েছিল। কিন্তু সেটা আবার বাড়তে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে নীতি আয়োগ। এমনকি চীনকেও সেই সময়ে টেক্কা দিয়েছিল ভারত।

জনপ্রিয়

Back To Top