আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সারা বিশ্বের প্রতিটা মানুষ এখন হিংসা করে এই দেশটিকে। করবেই বা না কেন?‌ যেখানে করোনার ভয় নেই, সেটাই এখন স্বপ্নের জায়গা। আর সেই দেশটি হল তাইওয়ান। গত ২০০ দিনে সে দেশে একজন স্থানীয় মানুষও করোনায় আক্রান্ত হয়নি। ইওরোপের একাধিক দেশ ফের করোনার দাপট বেড়েছে। লকডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আমেরিকায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ভাঙতে বসেছে। আর অন্যদিকে এই পৃথিবীর বুকেই রয়েছে ছোট্ট দেশ তাইওয়ান। গত ১২ এপ্রিল শেষ করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল। শুক্রবার ২০১ তম দিনে পা। এই কয়েকদিনে একজন স্থানীয়ের শরীরেও করোনা দানা বাঁধেনি। এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় ঢেউয়ের কোনও আশঙ্কা নেই। সবারই প্রশ্ন, ২৩ মিলিয়ন জনসংখ্যার এই ছোট্ট দ্বীপের প্রশাসন ও নাগরিকেরা কী এমন পদক্ষেপ করেছে যাতে এই পূণ্যলাভ?‌ ৫৫৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল সে দেশে। মৃত্যু হয়েছিল সাত জনের। তারা সাত তাড়াতাড়ি দেশের সীমানাগুলি বন্ধ করে দেয়। যেকোনওপ্রকার যাত্রায় স্থগিতাদেশ চালু করা হয়। এছাড়াও প্রবল দক্ষতার সঙ্গে সংক্রমণের উৎস সন্ধান, করোনা পরীক্ষা, উন্নত প্রযুক্তির কোয়ারেন্টাইন পদ্ধতি এবং অবশ্যই মাস্কের ব্যবহার। আমেরিকার সেনেটর বার্নি স্যানডারস টুইটারে প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘‌কীভাবে এটা করল তারা। আর কিছুই না। বিজ্ঞানে বিশ্বাস রেখেছিল প্রত্যেকে।’ গোষ্ঠী সংক্রমণ হওয়ার আগেই সংক্রমণ রোধ করে দেওয়া হয়। অস্ট্রেলিয়ার এক চিকিৎসক লিখেছেন, ‘‌অস্ট্রেলিয়ার সমান জনসখ্যা এই দেশে। সেখানে বরং মানুষ আরও বেশি কাছাকাছি থাকে। কিন্তু তাতেও যেভাবে তারা করোনা মোকাবিলায় কাজ করেছে, তা অনবদ্য। বিশ্বের মধ্যে সবথেকে ভাল ফলাফল এই দেশই পেয়েছে।’ অন্যান্য দেশের তুলনায় তাইওয়ানে চলতি বছরে অল্প হলেও অর্থনৈতিক লাভ হয়েছে। প্রশাসনের অনুমান, বছরের শেষে জিডিপ ১.৫৬‌ শতাংশ বাড়বে। যদিও সরকারের সূত্রে খবর, তাইওয়ান পুরোপুরি সংকটমুক্ত নয় এখনও। বৃহস্পতিবার আমেরিকা ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা পর্যটকদের মধ্যে তিনজনের শরীরে করোনা মিলেছে। গত দু’‌সপ্তাহের নিরিখে বাইরের দেশ থেকে আসা এরকম ২০ জনের শরীরে করোনার হদিশ মেলে।  ‌  ‌ 

জনপ্রিয়
আজকাল ব্লগ

Back To Top