আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাঁচির হিন্দপিড়ি এলাকা করোনার থাবা থেকে বাঁচতে পারল না। তাই এখন প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ। এই পরিস্থিতিতে ঝুঁকি না নিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করে সিল করে দেওয়া হয়েছে রাঁচি শহরের ওই এলাকাটি। কারণ ইতিমধ্যে ঝাড়খণ্ড থেকে কোভিড–১৯–এ আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর এসেছে। মৃত ব্যক্তি বোকারোর বাসিন্দা, বয়স ৭৫।
বুধবার পর্যন্ত রাজ্যে আক্রান্ত ছিলেন চারজন। এঁদের মধ্যে দু’জন হিন্দপিড়ির। বৃহস্পতিবার পাঁচজন করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যাঁদের মধ্যে চারজন ওই অঞ্চলের। রাজ্যে প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া যায় ৩১ মার্চ। মালয়েশিয়ার এক মহিলা দিল্লির নিজামুদ্দিনের ধর্মসভায় যোগ দিয়েছিলেন। হিন্দপিড়ির একটা মসজিদেই ছিলেন তিনি। তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মেলে। তার পরেই আরও এক মহিলার শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া যায়। তিনি সম্ভবত মালয়েশিয়ার ওই মহিলার সংস্পর্শে এসেছিলেন।
এদিকে আরও দু’জন কোভিড–১৯–এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের বাড়ি বোকারো আর হাজারিবাগে।হাজারিবাগের ওই ব্যক্তির আবার আসানসোল যোগ ছিল। ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা সবাইকে কোয়ারান্টাইন করা হয়। এরই মধ্যে হিন্দপিড়ি থেকে আরও চারজন করোনা রোগীর খোঁজ মেলে। তবে প্রশাসন সূত্রে খবর, নতুন এই চারজন ওই দ্বিতীয় মহিলার পরিবারের লোক।
অন্যদিকে ৭২ ঘণ্টার জন্য পুরো হিন্দপিড়ি অঞ্চল সিল করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দাদের কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বেরোতে দেওয়া হবে না। কাছেই একটি চিকিৎসক দল এবং অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করে রেখেছে প্রশাসন।

জনপ্রিয়

Back To Top