আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ছোট ছোট পড়ুয়াদের বেদম মার। অমানবিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশায়। তাদের অপরাধ ঠিক করে আঁকতে পারেনি। কচি হাতে সবটা পেরে ওঠেনি তারা। কিন্তু তার জন্য লাঠি দিয়ে বেদম প্রহার চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর আঁকার পরীক্ষা চলছিল ওড়িশার বালানগির জেলার জালাপালি গ্রামের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে পড়ুয়াদের ছাতা আঁকতে দেওয়া হয়েছিল বলে খবর। এখানে ১০ জন পড়ুয়াই ঠিকমতো ছাতা আঁকতে পারেনি। এই অপরাধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটাল শিক্ষিকার স্বামী। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিভাবকরা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন লক্ষ্মীপ্রিয়া মেহেক নামে এক শিক্ষিকা। তাঁর স্বামীই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ২২জন পড়ুয়া পড়াশোনা করে। আর শিক্ষককের সংখ্যা দুই। লক্ষ্মীপ্রিয়া মেহেকের স্বামী সওদাগর মেহেক প্রত্যেদিন তাঁর স্ত্রীকে স্কুলে পৌঁছে দেন। আবার ছুটি হলে স্কুল থেকে বাড়ি নিয়ে আসতেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি কোনও কাজকর্ম করে না। শুক্রবার সকালে প্রধান শিক্ষক গিয়েছিলেন প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করতে। থকন সওদাগর প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর পড়ুয়াদের কাছ থেকে খাতা সংগ্রহ করছিলেন। সেখানে পড়ুয়ারা ছাতা আঁকতে না পারার জন্য বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এদের মধ্যে দু’‌জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্কুলটিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। যদিও এই ঘটনায় ওই শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে খবর। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইপিসির ৩৪১, ৩৪২, ৩২৩, ৩২৪ এবং ৪৪৭ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

জনপ্রিয়

Back To Top