আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মহিলাদের বিরুদ্ধে হিংসা রোধের আন্তর্জাতিক দিন আজ। এই আবহে একবার দেখে নেওয়া যাক দেশের সেসব ভয়ঙ্কর ধর্ষণের ঘটনা। যেগুলো নাড়িয়ে দিয়েছিল তামাম দেশবাসীকে। এমনকী দুনিয়ার দরবারে মুখ পুড়িয়েছিল ভারতের।
অরুণা শানবাগ:‌ পশুখাদ্য চুরি করত হাসপাতালের সাফাই কর্মী। ধরে ফেলেছিলেন নার্স অরুণা শানবাগ। ১৯৭৩ সালে তাঁকে ধর্ষণ করে সাফাই কর্মী সোহনলাল বাল্মিকী। কুকুরের চেন তাঁর গলায় বাঁধে। অত্যাচারে মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে অরুণার। ৪২ বছর ধরে মুম্বইয়ের ওই হাসপাতালেই কোমায় ছিলেন। ২০১৫ সালে মারা যান অরুণা। সোহন মাত্র কিছু বছর জেল খেটেছিল।
মথুরা ধর্ষণ:‌ ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ। মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুর জেলায় মথুরা নামে ১৫ বছরের দলিত কিশোরীকে ধর্ষণ করে দুই পুলিশকর্মী। পার পেয়ে যায় তারা।
স্কারলেট ধর্ষণ ও খুন:‌ ২০০৯ সালে এই ব্রিটিশ পর্যটক বেড়াতে এসেছিলেন ভারতে। পরিবারের সঙ্গে। স্কারলেটকে ধর্ষণ করে সমুদ্রে ডুবিয়ে মারা হয়।
প্রিয়দর্শিনী মাট্টু:‌ ১৯৯৬ সালে আইনের ছাত্রী প্রিয়দর্শিনী মাট্টুকে দিল্লির বাড়িতে ধর্ষণ ও খুন করে সন্তোষ কুমার সিং। মাট্টুর তখন বয়স ২৫। দায়রা আদালতে বকসুর খালাস করে সন্তোষকে। যদিও পরে দিল্লি আদালত ফাঁসির সাজা দেয়।
নির্ভয়া ধর্ষণ:‌ ২০১২ সালে দিল্লির চলন্তবাসে প্যারামেডিকেলের ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে চালক সহ ছ’‌ জন। ২৩ বছরের তরুণীর বন্ধুর সামনেই চলে এসব। মারা যান নির্ভয়া। দোষীদের এক জন ছিল নাবালক। তিন বছরের সাজা শেষে সে মুক্ত। আর এক জন আত্মঘাতী। বাকি চারজনকে ফাঁসির সাজা দিয়েছে আদালত। 
ইমরানা ধর্ষণ:‌ ২০০৫ সাল। উত্তরপ্রদেশের গ্রামে শ্বশুর ধর্ষণ করে ইমরানাকে। পঞ্চায়েত রায় দেয়, শ্বশুরকেই বিয়ে করতে হবে তাঁকে। তুমুল হইচইয়ের পর দোষীর ১০ বছর সাজা হয়।
ভানওয়ারি দেবী:‌ নাবালিকার বিয়ে নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। গ্রামের পাঁচ উচ্চবর্ণের ব্যক্তি তাঁকে গণধর্ষণ করে। নিম্নবর্ণের বলে তাঁকে সুবিচার দিতে প্রথমে অস্বীকার করা হয়।  

জনপ্রিয়
আজকাল ব্লগ

Back To Top