আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ১, ৩ এবং ৫ মে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচন। কিন্তু সংগঠন এখনও মজবুত ভিতের ওপর গড়ে ওঠেনি। তবে টিকে থাকার লড়াই রয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদে। তাই প্রযুক্তিতেই ভর করে এগোতে চাইছে সিপিএম। যার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ইন্টারনেট টিভি চ্যানেল। এই পঞ্চায়েত নির্বাচনেই সেই মহড়া দেখা যাবে। কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত হল গ্রামীণ বাংলার একেবারে পঞ্চায়েত স্তরে সিপিএমের যুব সম্প্রদায়ের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে স্মার্ট ফোন। যাতে সেখানকার নির্বাচনের ছবি থেকে হিংসার ঘটনা সবই চলে আসে দলের সদর দপ্তর আলিমুদ্দিনের মুজফফ্‌র আহমেদ ভবনে। সেই ভিডিও রাজ্য নেতারা পৌঁছে দেবে নির্বাচন কমিশনের হাতে। 
দলীয় সূত্রে খবর, ২০টি জেলা পরিষদের মোট ৮২৫টি আসন, ৩৪১টি পঞ্চায়েত সমিতির ৯ হাজার ২৪০টি আসন এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪৮ হাজার ৭৫১টি আসনের খবর সরাসরি রাখার জন্য স্মার্ট ফোনকে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু স্মার্ট ফোন দল তুলে দেবে নীচুতলার বুথের দায়িত্বে থাকা কর্মীর হাতে। আবার কিছু স্মার্ট ফোন তুলে দেওয়া হবে জেলা কমিটির সদস্যদের হাতেও। এসএফআই, ডিওয়াইএফআই সদস্যরাও যাঁরা দায়িত্বে থাকবেন তাঁরাও পাবেন এই স্মার্ট ফোন। 
তাহলে কী এত স্মার্ট ফোন কিনবে সিপিএম। এখন তো সবার হাতে স্মার্ট ফোন রয়েছে। তাহলে এই অভিনব পদক্ষেপ কেন?‌ সূত্রের খবর, সিপিএমের পোর্টালকে নির্বাচনের সময় চাঙ্গা রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে তা চূড়ান্ত সিলমোহর পড়বে আগামী রাজ্য কমিটির বৈঠকে। নির্বাচন কমিশন যাতে সেই ভিডিও পেয়ে যায় তার ব্যবস্থা করা হবে দলীয় দপ্তর থেকে। এগুলি মনিটরিংও করা হবে। নীচুতলার কর্মীদের চাঙ্গা করতে এই অভিনব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যাদের স্মার্ট ফোন আছে তাদের দেওয়া হবে না। তবে এখনও অনেক কর্মী আছে যারা এই প্রযুক্তি থেকে বঞ্চিত। তাদের হাতে দেওয়া হবে একদিকে দায়িত্ব ও অন্যদিকে স্মার্ট ফোন। ইতিমধ্যেই মাইক্রোম্যাক্স এবং জিও ফোনের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্য কমিটির এক শীর্ষ নেতা জানান, এইরকম একটা প্রস্তাব উঠেছে ঠিকই। তবে এখনও তা সিদ্ধান্তে পরিণত হয়নি। এই পদক্ষেপ নেওয়া হলে জেলার চিত্রটা ভালভাবে ফুটে উঠবে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top