আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বছরে তিনমাস অন্তর চারবার করে নতুন শব্দের সংযোজন হয় অক্সফোর্ডের অভিধানে। গত ২০ বছর ধরে এরকমই নিয়ম চলে আসছে। করোনা পরিস্থিতির পর ইংরেজি ভাষায় যে পরিবর্তন এসেছে তার উল্লেখের জন্য গত বসন্তে এবং জুলাই মাসে নতুন সংস্করণ বেরিয়েছে। এরপর থেকে অক্সফোর্ডের সম্পাদকেরা একটি নতুন বিষয় আবিষ্কার করলেন। করোনার পরে প্রথম একটি অ্যাক্রোনিমকে শব্দের মান্যতা দেওয়া হয়েছে। কোভিড–১৯ আসলে করোনাভাইরাস ডিজিসের অ্যাক্রোনিম। অ্যাক্রোনিমের অর্থ হল বিভিন্ন শব্দের প্রথম অক্ষর দিয়ে গঠিত সংক্ষিপ্ত নির্দেশক শব্দ। যেমন নাসা (‌NASA), ‌ন্যাশনাল এরোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস। এর আগে কোনো অ্যাক্রোনিম শব্দের মান্যতা পায়নি। এছাড়া দেখা যাচ্ছে, অক্সফোর্ড নতুন শব্দের বদলে পুরনো শব্দগুলিকেই ফের ছাপাচ্ছে। ‌তার কারণ, এমন কিছু শব্দের প্রয়োগ শুরু হয়েছে মহামারীর পর, যা আগে ছিল, কিন্তু এখন তার অর্থটা আরও বিস্তৃত হয়েছে। ব্যবহার বেড়েছে। যেমন ধরা যাক, সেল্ফ আইসোলেশন। এর অর্থ ছিল, আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময়ে, ধরা যাক, টর্নেডোর সময়ে বা কোনও বোমা হামলা হওয়ার সময়ে কোনও নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নেওয়া। এখন এর আরেকটি মানেও তৈরি হয়ে গিয়েছে। বেশ লম্বা একটি সময় ধরে নিজেকে সবার থেকে আলাদা রাখা। 
ভাষার বিবর্তনের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন। এখন যেমন মানুষের দৈনিক কথাবার্তায় সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে মেডিক্যাল টার্ম। যেমন ১৯৫১ সালে ‘‌হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন’, ১৯৫৮ সালে ‘‌ডেক্সামেথাসন’, ১৯৫৯ সালে ‘‌কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ এবং সালে ১৯০৩ সালে ‘‌কমিউনিটি স্প্রেড’‌‌ শব্দটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল অক্সফোর্ডের অভিধানে। কিন্তু ফের চলতি বছরের জুলাই মাসে এই শব্দ দু’‌টি যোগ করা হল। কারণ একটাই। এগুলির ব্যবহার বেড়েছে। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top