আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে ভারভারাদের গ্রেপ্তারি নিয়ে। একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সমাজকর্মীরা জানিয়েছেন, তাঁদেরকেও নানাভাবে হেনস্থা করছে পুলিস। দেশের এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়েই দিল্লির প্রেসক্লাবে একটি বৈঠক আয়োজন করল একাধিক মানবাধিকার সংগঠন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বুকার জয়ী লেখিকা অরুন্ধতী রায়, বিধায়ক ও রাজনীতিবিদ জিগনেশ মেওয়ানি সহ–আরও অনেকে। প্রেস ক্লাবে আয়োজকদের তরফে দি পিপলস ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেটিক রাইট (‌পিইউডিআর)‌, পিপলস ইউনিয়ন ফর সিভিল লিবার্টিস (‌পিইউসিএল)‌ ওমেন এগেনস্ট সেস্কুয়াল ভায়লেন্স অ্যান্ড স্টেট রিপ্রেশন (‌ডব্লু এস এস)‌ এর তরফে একটি যৌথ বিবৃতি জারি করে এদিন মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদ করা হয়। লেখিকা অরুন্ধতী রায় বলেন, ‘ নির্বাচন পর্যন্ত এমনটা চালিয়ে যাবে কেন্দ্রের শাসকদল।দল যতই মনে করবে যে তাঁদের জনপ্রিয়তা কমে আসছে, ততই তাঁরা আরও ধরপাকড়, যুদ্ধ, দাঙ্গা, লাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। সেই ভয়নাক অবস্থা শুরু হয়ে গিয়েছে, যা চলবে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত। এগুলো গ্রেপ্তারি নিয়, গ্রেপ্তারির নামে সার্কাস’‌। জিগনেশ মেওয়ানি বলেন, দলিত আন্দোলনকে আরও পিছিয়ে দেওয়ার জন্য সরকার এমন পরিকল্পনা করেছে, এমন আক্রমণ নামিয়ে আনছে বিরোধী কণ্ঠের উপর।’‌ সমাজকর্মী অরুণা রায় সরকারের ভোট কেন্দ্রীকতার কথাই নতুন করে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন ‘‌আগামী বছরই লোকসভা নির্বাচন, তার আগে পর্যন্ত যাঁরাই সরকারের বিরুদ্ধে গলা চড়াবে, তাঁদেরকেই চেপে ধরা হবে। জেলে পুরে হোক, ভয় দেখিয়ে হোক তাঁদের কণ্ঠ রোধ করতে চাইবে কেন্দ্রীয় সরকার। এরা ছাড়াও এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পিউডিআরের হরিশ ধাওয়ান, ডাব্লুএসএসের কল্যাণী মেনন ও পিইউসিএলের সঞ্জয় পারেখ।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top