আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ফিনিক্স পাখির মতই ফের ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে উঠছে কেরল। শতাব্দীর সবচেয়ে বিধ্বংসী বন্যার মুখোমুখি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্য। সর্বশক্তি দিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের উদ্ধার করা হচ্ছে। মারা গিয়েছেন প্রায় ৩৭০ জন। লক্ষাধিক মানুষ এখনও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। ইতিমধ্যেই আবহাওয়া দপ্তর জানিয়ে দিয়েছে আগামী পাঁচদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাতেই নতুন করে বাঁচার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন কেরলের বাসিন্দারা। সারাদিন বৃষ্টি না হওয়ায় ৯০ শতাংশ উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

সকালেই কোচির নৌসেনার বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে বিমান। আগামী কয়েকদিন নৌসেনার এই বিমানঘাঁটি থেকেই উড়ান চালাবে ইন্ডিগো। তিরুঅনন্তপূরম এবং এর্নাকুলামের মাঝে ২০০ কিলোমিটার ট্রেন চলাচল করেছে। ইডুক্কি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। কিছু এলাকায় এটিএম পরিষেবাও চালু হয়েছে। টেলিফোন এবং কেবল পরিষেবা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হয়েছে। 
ভিন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিক এবং কর্মীদের সকলের কাছে যাতে ত্রাণ পৌঁছয় সেদিকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

ইতিমধ্যেই সিআরপিএফ–এর পাঠানো ত্রাণ নিয়ে তামিলনাড়ু থেকে কেরলে পৌঁছেছে ১২টি ট্রাক। 
একাধিক জায়গায় জল নামতে শুরু করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মিলে গেলে আগামী কয়েকদিনে কেরলের বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হবে। পদুচেরির সরকারি কর্মীরা কেরলে ত্রাণে একদিনের বেতন দান করেছেন। গোটা দেশ থেকে ত্রাণ পৌঁছতে শুরু করেছে কেরলে। যে মৎস্যজীবীরা তাঁদের নৌকা উদ্ধারকাজের জন্য দিয়েছেন তাঁদের সকলকে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী। 

জনপ্রিয়

Back To Top