‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‘‌রাজকন্যা বেশি পড়িয়াছিল।’ আর তাই তো একসঙ্গে দুই কনের সঙ্গে সাতপাঁক (‌নাকি ১৪ পাক, কে জানে!‌)‌ ঘুরলেন মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার বাসিন্দা সন্দীপ উইকে।
৮ জুলাই বেতুল জেলার সদর দপ্তর থেকে ৪০ কিমি দূরে কেরিয়া গ্রামে বিয়ে হল তিনজনের। একজন হোসাঙ্গাবাদের মেয়ে। আরেকজন কোয়ালারি গ্রামের বাসিন্দা। ভোপালে পড়াশোনা করা সময়ে হোসাঙ্গাবাদের মহিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয় সন্দীপের। এদিকে তাঁর বাবা মা কোয়ালারি গ্রামে কনে দেখে ফেলেছেন ছেলের জন্য। এই নিয়ে তিন পরিবারের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। সমাধানের স্বার্থে পঞ্চায়েত বৈঠক বসানো হয়। তিন পরিবার মিলে সেখানে কথাবার্তা বলে। দুই মহিলার অনুমতি নেওয়া হয়। তাঁরা কি দু’জনে মিলেই সন্দীপের সঙ্গে থাকতে রাজি?‌ তাহলে সন্দীপ দু’‌জনকেই বিয়ে করবেন। দেখা যায়, দুই মহিলাই রাজি। তা দেখে পরিবারের লোকজনও মত দিয়ে দেন। জনপদ পঞ্চায়েত ঘোদাডোংরির সহসভাপতি মিশ্রীলাল পারাটে এবং বৈঠকের আরেক সাক্ষী জানান, তিন পরিবারের কারওর কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু যাকে বলে গোদের ওপর বিষফোঁড়া। একেই তো দুই কনে নিয়ে বিয়ের আয়োজন করা। তার ওপরে করোনা পরিস্থিতি। এমন অবস্থায় বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য শাসকপক্ষের অনুমতি নিতেই ভুলে গেলেন তাঁরা। আসলে তিন পরিবারের অসংখ্য সদস্যের অনুমতি নিতে নিতে বোধহয় সময় ফুরিয়ে এসেছিল। সেই বিষয়ে এখন তদন্ত চালাচ্ছে প্রশাসন। কেরিয়া গ্রামের আদিবাসী সন্দীপ এখন সুখে শান্তিতে দুয়োরানি ও সুয়োরানিকে নিয়ে ঘরসংসার পেতেছেন। ‌কিন্তু সবথেকে বড় কথা। একজন মহিলারও অমতে নয়। তাঁদের মত নিয়ে তবেই এপথে হেঁটেছেন সবাই।

জনপ্রিয়

Back To Top