আজকাল ওয়েবডেস্ক: হাতিয়ার শিক্ষা, বিশেষত উচ্চশিক্ষা। বাংলায় শিক্ষার প্রসারে একদিকে যেমন রাজ্য সরকার সচেষ্ট তেমনই এগিয়ে এসেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিও। রাজ্য সরকার আয়োজিত বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনেও (বিজিবিএস) চালু হয়েছে এডুকেশন কনক্লেভ। আগামী ২১ নভেম্বর এবছরের বিজিবিএস-এর এডুকেশন কনক্লেভের আগে শনিবার ৪ নভেম্বর একটি প্রস্তুতি পর্ব সেরে নিল রাজ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তর। সহযোগিতায় কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)। স্বভূমিতে "এডুকেশন সিম্পোজিয়াম"-এর এদিনের এই অনুষ্ঠানে অন্যতম বিষয় ছিল "ওয়েস্ট বেঙ্গল: দ্য ইমার্জিং ডেস্টিনেশন অফ এডুকেশনাল ইনভেস্টমেন্ট"। শিক্ষাক্ষেত্রে এই রাজ্য যে বিনিয়োগকারীদের গন্তব্য হয়ে উঠেছে এই অনুষ্ঠানে তা তুলে ধরেন আমন্ত্রিত বক্তারা। তুলে ধরেন শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলার বহমান ঐতিহ্যের দিকটি।
সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির (এসএনইউ) আচার্য সত্যম রায়চৌধুরী বলেন, "বাংলার একটা গর্ব করার মতো পরম্পরা আছে। এই রাজ্য হল এমনই একটি রাজ্য যেখানে শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।" বাংলার মানুষের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা তা বোঝাতে এসএনইউ"র আচার্য বলেন, "বাংলা হল এমনই একটি রাজ্য যেখানে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে মনে করেন তাঁদের সন্তানদের উচ্চ মানের শিক্ষা দেওয়াটা হল তাঁদের জীবনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।" আর এই শিক্ষার প্রসার তখনই সম্ভব যখন রাজ্য সরকারও সদর্থক ভূমিকা পালন করে। এবিষয়টি বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, "গত কয়েক বছরে বাংলায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছে বাংলা। তার জন্য এখানকার পরিবেশ ব্যবসা বা বাণিজ্যের পক্ষে অনুকূল। এমনকী যতটা ভাবা যায় তার থেকেও সহজ।" গোটা বিশ্বের শিক্ষার সম্প্রসারণে এই মুহূর্তে কোন কোন বিষয়গুলি উল্লেখযোগ্য তা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, "বিশ্ব শিক্ষার আঙ্গিনায় আজ পারস্পরিক সহযোগিতা এবং যৌথ প্রচেষ্টা হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।" রাজ্যে যে শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগের একটা অনুকূল পরিবেশ রয়েছে তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, "বিনিয়োগের জন্য এই ধরনের সুবিধা এবং সহযোগিতার পরিবেশ কদাচিৎ পাওয়া যায়।" শিক্ষার প্রসারে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন কীভাবে আশির দশকের গোড়ায় চুঁচুড়ায় একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে শুরু করে আজ টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের ক্যাম্পাস গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিন অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটির আচার্য ড.সমিত রায় জোর দেন স্কুলছুট পড়ুয়াদের ওপর। তিনি বলেন, "স্কুলছুট মানেই আমরা ভবিষ্যতের মেধাকে হারাচ্ছি।" ছিলেন জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সিমরপ্রীত সিং এবং সিকম স্কিল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান অনিশ চক্রবর্তী। ভার্চুয়ালি সভায় যোগ দেন শুলোনি ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য অতুল খোসলা। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রাইস ওয়াটার কুপার্সের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর রমাপ্রসাদ ঘোষ। সকলেই একমত হন এগিয়ে থাকা বাংলাই শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগের আদর্শ স্থান।
সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটির (এসএনইউ) আচার্য সত্যম রায়চৌধুরী বলেন, "বাংলার একটা গর্ব করার মতো পরম্পরা আছে। এই রাজ্য হল এমনই একটি রাজ্য যেখানে শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।" বাংলার মানুষের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই শিক্ষা তা বোঝাতে এসএনইউ"র আচার্য বলেন, "বাংলা হল এমনই একটি রাজ্য যেখানে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে মনে করেন তাঁদের সন্তানদের উচ্চ মানের শিক্ষা দেওয়াটা হল তাঁদের জীবনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।" আর এই শিক্ষার প্রসার তখনই সম্ভব যখন রাজ্য সরকারও সদর্থক ভূমিকা পালন করে। এবিষয়টি বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, "গত কয়েক বছরে বাংলায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছে বাংলা। তার জন্য এখানকার পরিবেশ ব্যবসা বা বাণিজ্যের পক্ষে অনুকূল। এমনকী যতটা ভাবা যায় তার থেকেও সহজ।" গোটা বিশ্বের শিক্ষার সম্প্রসারণে এই মুহূর্তে কোন কোন বিষয়গুলি উল্লেখযোগ্য তা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, "বিশ্ব শিক্ষার আঙ্গিনায় আজ পারস্পরিক সহযোগিতা এবং যৌথ প্রচেষ্টা হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।" রাজ্যে যে শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগের একটা অনুকূল পরিবেশ রয়েছে তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, "বিনিয়োগের জন্য এই ধরনের সুবিধা এবং সহযোগিতার পরিবেশ কদাচিৎ পাওয়া যায়।" শিক্ষার প্রসারে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন কীভাবে আশির দশকের গোড়ায় চুঁচুড়ায় একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে শুরু করে আজ টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের ক্যাম্পাস গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিন অ্যাডামাস ইউনিভার্সিটির আচার্য ড.সমিত রায় জোর দেন স্কুলছুট পড়ুয়াদের ওপর। তিনি বলেন, "স্কুলছুট মানেই আমরা ভবিষ্যতের মেধাকে হারাচ্ছি।" ছিলেন জেআইএস গ্রুপের ডিরেক্টর সিমরপ্রীত সিং এবং সিকম স্কিল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান অনিশ চক্রবর্তী। ভার্চুয়ালি সভায় যোগ দেন শুলোনি ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য অতুল খোসলা। সঞ্চালনায় ছিলেন প্রাইস ওয়াটার কুপার্সের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর রমাপ্রসাদ ঘোষ। সকলেই একমত হন এগিয়ে থাকা বাংলাই শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগের আদর্শ স্থান।
















