সোমনাথ নন্দী, বেলপাহাড়ি, ৬ জুলাই- মোর্চার আন্দোলনে অশান্ত পাহাড়। পাহাড় থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন পর্যটকেরা। ভ্রমণপিপাসুরা অনেকেই এই ফাঁকে বৃষ্টিভেজা অরণ্যের টানে চলে আসছেন জঙ্গলমহলে।
শাল–সেগুনের জঙ্গলে বর্ষার রিমঝিম আর পর্যটন উৎসব ঘিরে ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। এমনিতেই রথযাত্রা উপলক্ষে জঙ্গলমহলে হাজির কিছু পর্যটক। কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হচ্ছে শ্রাবণী মেলা। পাশাপাশি ‘‌জঙ্গলমহল অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম’‌ আয়োজন করেছে একটি বেসরকারি সংস্থা। বর্ষাভেজা শাল–সেগুনের প্রান্তরে বসবে মেলা। এই মাসের ১৬ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত ভিড় বাড়বে বলে মনে করছে ঝাড়গ্রাম মহকুমা হোটেল মালিক অ্যাসোসিয়েশন। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু হোটেল ও লজে বুকিং হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মধুসূদন কর্মকার। একই কথা জানিয়েছেন বেসরকারি পর্যটন সংস্থার কর্ণধার দেবযানী কর্মকার।
ঘন বর্ষায় ঝাড়গ্রাম জেলার মূল টুরিস্ট আকর্ষণের কেন্দ্র বেলপাহাড়ি। পর্যটকেরা যেতে চান বেলপাহাড়ির খাঁদারানী বাঁধ, ঘাগরা জলপ্রপাত, গাঢ়ড়াসিনি পাহাড়, গোপীবল্লভপুরের ঝিল্লি পাখিরালয়, হাতিবাড়ির মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে। সে–কারণে এইসব এলাকার পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ওইসব পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে রাতে থাকার ব্যবস্থা–সহ অন্যান্য বিষয় সমাধানের জন্য সম্প্রতি প্রশাসনিক স্তরে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে বেলপাহাড়ির আশপাশের পর্যটন কেন্দ্রগুলির উন্নয়নে গড়া হয়েছে টুরিজম ডেভেলপমেন্ট কমিটি। খাঁদারানী বাঁধ, লালজল, গোপীবল্লভপুরের ঝিল্লি পখিরালয়ের মতো পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়া–আসার রাস্তা পাকা করা, শেড ও শৌচাগারের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে। নয়াগ্রামের তপোবন পর্যটন কেন্দ্রে ঢোকার মুখে কাঠের সেতু সরিয়ে স্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। বেলপাহাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বংশীবদন মাহাতো বলেন, পর্যটকদের কথা ভেবে ইতিমধ্যেই খাঁদারানী বাঁধে একটি শৌচাগার তৈরি করা হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, পর্যটনের উন্নয়নে আরও কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। 

 

খাঁদারানী বাঁধ। ছবি: প্রতিবেদক

জনপ্রিয়

বিদায় ২০০০, আসছে ২০০

বুধবার ২৬ জুলাই, ২০১৭

নীতীশের সিদ্ধান্তে অপমানিত শরদ 

বৃহস্পতিবার ২৭ জুলাই, ২০১৭

চীনে পরমাণু হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

বৃহস্পতিবার ২৭ জুলাই, ২০১৭

Back To Top