আজকালের প্রতিবেদন: রাজ্যের স্কুলগুলিতে উন্নয়ন–ফি বাবদ যে ২৪০ টাকা নেওয়া হয় তা ধীরে ধীরে কমিয়ে মকুবের কথা ভাবছে সরকার। মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। একই সঙ্গে তিনি ইংরেজি শিক্ষার ওপরও জোর দেন। 
মঞ্চে ভাষণের মাঝপথেই স্কুল শিক্ষা সচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালের কাছে স্কুল কত টাকা নেয় জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। স্কুল সচিব জানান, উন্নয়ন–ফি বাবদ সর্বোচ্চ ২৪০ টাকা নেওয়া হয়। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জির সঙ্গে কথা বলে এই টাকাও ধীরে ধীরে আরও কমানো যায় কি না, মকুব করা যায় কি না দেখছি।’‌
রাজ্যের সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে পড়ার জন্য প্রতি মাসে পড়ুয়াদের কোনও বেতন দিতে হয় না। উন্নয়ন–ফি বাবদ বছরে ২৪০ টাকা দিতে হয়। যা বছরের শুরুতেই নিয়ে নেওয়া হয়। শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার কথা বলা হয়েছে। তবে, ২০১১ সালের রাজ্য সরকারের এক নির্দেশিকা অনুযায়ী বলা হয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের কাছ থেকে উন্নয়ন–ফি বাবদ সর্বোচ্চ ২৪০ টাকা নিতে পারেন। এদিন এই ফি মকুবের ভাবনার কথাই জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের এমনিতেই বিনামূল্যে বই, স্কুলড্রেস দেওয়া হয়। এ ছাড়াও রয়েছে মিড–ডে মিল। তা খাওয়ার জন্য থালাও দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিকের ছাত্রছাত্রীদের জুতো দেওয়া হয়েছে। এদিন ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত খাতা ও ব্যাগ দেওয়া হল। ২৪০ টাকা মকুব করা হলে বা কমানো হলেও শিক্ষার পুরোটাই কার্যত বিনামূল্যেই হবে। এর ফলে স্কুলছুট যেমন কমবে তেমনই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলিতে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করার যে প্রবণতা অভিভাবকদের মধ্যে দেখা যায় তা–ও কমবে বলে মনে করছে শিক্ষক মহল।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন ইংরেজি শেখার ওপরও জোর দিতে বলেন। বলেন, ‘‌আমি চাই রাজ্যের পড়ুয়ারা ইংরেজি পড়ুক। ভাল করে ইংরেজি শিখুক। তবে শুধু ইংরেজি নয়, মাতৃভাষাও পড়তে হবে। বাংলা, নেপালি, অলচিকি, মৈথিলি গুরুমুখী— যার যে ভাষা পছন্দ সে তাই শিখবে।’‌ 
প্রসঙ্গত, অভিভাবকদের মধ্যে ছেলেমেয়েদের ইংেরজি মাধ্যম স্কুলে পড়ানোর ঝোঁক বাড়ায় বাংলা মাধ্যমের স্কুলগুলি থেকে পড়ুয়ারা চলে যাচ্ছে। মে মাসে হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে গিয়ে বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসায় তিনি রাজ্যের স্কুলগুলিতে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যম চালু করতে বলেছিলেন। সেইমতো সরকারি স্কুলের প্রাথমিকে ইংরেজি মাধ্যম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য। পরে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলেও চালু করা হবে। তবে বাংলা মাধ্যম চালু রেখে। ইংরেজি মাধ্যম চালু করা নিয়ে স্কুল শিক্ষা দপ্তরে কলকাতা–সহ জেলার বেশ কয়েকটি স্কুল আবেদন করেছে। পরিদর্শনের কাজও শেষ। যে স্কুলগুলিতে শিক্ষক রয়েছে পড়ুয়া নেই সেই স্কুলগুলির প্রাথমিকেও ইংরেজি মাধ্যম চালুর ভাবনা রয়েছে সরকারের।

 

নজরুল মঞ্চে পড়ুয়াদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার, শিক্ষক দিবসে। ছবি: অমিত ধর

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

স্মৃতিতে প্রিয়রঞ্জন

বুধবার ২২ নভেম্বর, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top