আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বাঙালি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মিষ্টি এবং দূর্গাপুজো। বিশেষ করে নিজেদের জন্ম ভিটা ছেড়ে বিদেশে বা ভিন রাজ্যে বসবাসকারি বাঙালিরা বাংলার সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজে পান ইলিশ মাছের পাতুড়ি, দুর্গাপুজোতে ধুনুচি নাচ আর কে সি দাশের রসগোল্লা ভরা টিনে। দু’‌বছরের বেশি ধরে চলা রসগোল্লা নিয়ে বাংলা–ওড়িশার ঠান্ডা লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে জিআইআরের ঘোষণার পর তাই আজ খুশি তাঁরাও। সকলেই বলছেন, বড় জয় পেল বাঙালি।
মঙ্গলবারে জিআইআরের স্বীকৃতির পর বাঙালীর পরিচয়ের জয় হল বলে মনে করছেন প্রবাসী বাঙালিরা। হায়দরাবাদে দীর্ঘদিন বসবাস করেন সুরেলা চক্রবর্তী। তার কথায়, ‘‌অবশেষে বাংলাই রসগোল্লার স্বীকৃতি পেল।  এখানকার অবাঙালীরা বাঙালি বলতে জানে রসগোল্লা ও সন্দেশ। অনেক অবাঙালি মনে করেন বাঙালির যেখানে যাবে সঙ্গে রসগোল্লা থাকবেই।’‌ হায়দরাবাদ প্রবাসী সৌম্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায় জানান, ‘‌রসগোল্লার পিতৃত্ব বাংলা পাওয়ার পরেই মনে পড়ে যায় উত্তর কলকাতায় পাড়ার মিষ্টির দোকানের কথা। পদোন্নতি হলে, পরীক্ষায় নম্বর পেলে বা যে কোনও খুশির খবরেই আমার মিষ্টি মুখের জন্য রসগোল্লা চাই।’‌ লুধিয়ানায় বাসিন্দা প্রিয়া মুখার্জির মতে, ‘‌আমার পরিচয় মানেই রসগোল্লা। হাসি মুখে তিনি আরও জানান, আমাকে সবাই রসগোল্লা বলেই ডাকে। বন্ধুদের আড্ডা হোক বা কোনও ইন্টারভিউ। আমি বাংলা থেকে কে সি দাসের প্যাক করা রসগোল্লা নিয়ে আসি।’‌ দিল্লি প্রবাসী স্তুতি চক্রবর্তী বলেন, ‘‌রসগোল্লা নিয়ে সঙ্গে আমার ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ছোটবেলায় আমি যখন ছুটিতে বাড়ি আসতাম, সেই সময় কাকা আমাদের ভাই বোনদের জন্য মাটির ভাঁড়ে রসগোল্লা নিয়ে আসত। আমরা সবাই লাইন করে দাঁড়াতাম। এক এক করে হাতে পড়ত মিষ্টি। একজন সেনাকর্মীর সন্তান হিসাবে আমি বাইরে বাইরে থেকেছি ঠিকই। কিন্তু আমার মন পড়ে থেকেছে কলকাতায়। জড়িয়ে থেকেছে বাঙালি খাবারে, রসগোল্লায়।’‌ রাজস্থানের বাসিন্দা প্রাপ্তি মুখার্জি পাল জানালেন, ‘‌আমি যখন কলকাতায় ফিরি, তখন আমার বন্ধুরা, আত্মীয়রা বলেন, আর কিছু না খাও, রসগোল্লাটা খেয়ে যেও ভাই।’‌ মুম্বইয়ের অশোক কুমার লায়েক জানিয়েছেন, ‘‌ওড়িশাকে এই সম্মান দিলেও কোনও ক্ষতি হতো না। কারণ, রসগোল্লা রাজ্যের না রাজ্যের বাইরের, তা নিয়ে না ভেবে আনন্দ করে খাওয়াটাই তো শেষ কথা।’‌ ঢাকার বাসিন্দা অরুণ মুখার্জি জানিয়েছেন, ‘‌ছোটবেলা থেকেই আমার জীবন রসগোল্লার সঙ্গে জড়িত। ছোটবেলায় যখন ঠাণ্ডা লেগে যেত, তখন মা বলত গরম গরম রসগোল্লা খেয়ে নে। আবার যখন বাগবাজারে যেতাম, তখনও বন্ধুদের সঙ্গে রসগোল্লা খেতাম। নতুন গুড়ের সময় রসগোল্লা কিনে খেতে কী যে আনন্দ হত, তা ভাষায় বোঝানো যাবে না।’‌‌

 

ছবি: অভিজিত মন্ডল

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top