দীপঙ্কর নন্দী: ৮ জুন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দার্জিলিঙের রাজভবনে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন। তারপর আর পাহাড়ে যাননি। অশান্ত পাহাড়কে শান্ত করতে মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। মঙ্গলবার পাহাড় নিয়ে উত্তরকন্যায় বৈঠক ডেকেছেন। আজ উত্তরবঙ্গে রওনা হচ্ছেন মমতা। মঙ্গলবার সকালে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি শিলিগুড়ি যাবেন। তিনিও বৈঠকে থাকবেন। এ ছাড়া বৈঠকে থাকবেন গৌতম দেব, মুখ্য সচিব মলয় দে, ডিজি সুরজিৎ করপুরকায়স্থ–‌সহ অন্য সরকারি আধিকারিকেরা। এদিকে, মঙ্গলবার উত্তরকন্যায় বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য রবিবার পাহাড়ে মোর্চার তিন বিধায়ক কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে চিঠি দিয়ে আসেন। চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, মঙ্গলবার আপনার ডাকা বৈঠকে আমরা উপস্থিত থাকতে চাই। তিন বিধায়ক হলেন, দার্জিলিঙের অমর সিং রাই, কার্শিয়াঙের ডাঃ রোহিত শর্মা ও কালিম্পঙের সরিতা রাই। ঘনিষ্ঠদের তাঁরা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তাতে তাঁরা সামিল হতে চান। অন্যদিকে, বেশ কিছুদিন ধরে পাহাড়কে অশান্ত করে মোর্চার নেতা বিমল গুরুং এখন গা–ঢাকা দিয়েছেন। পুলিসের কাছে খবর, তিনি রয়েছেন সিকিমে। মাঝেমধ্যেই হুঙ্কারও ছাড়ছেন। তা সত্ত্বেও তাঁকে উপেক্ষা করতে শুরু করেছেন পাহাড়বাসী। বিমল গুরুং ও রোশন গিরি অনেকটাই কোণঠাসা। বিনয় তামাং, অনীত থাপাদের মতো নেতারা গুরুংদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অনেকটাই সামনের দিকে এগিয়ে এসেছেন। পাহাড়বাসীদের মধ্যে অনেকেই তাঁদের ডাক শুনে বেরিয়ে আসছেন। মিছিল করছেন। সভা করছেন। প্রকাশ্যেই তাঁরা বলছেন, আমরা পাহাড়ে স্বাভাবিক জীবন ফেরাতে চাই। বিনয় তামাং কলকাতায় এসে নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখাও করেছেন। এর ফল তাঁকে ভুগতেও হয়েছে। গুরুংদের হাতে তিনি অসম্মানিত হয়েছেন। তাঁরা বুঝেছেন, একটানা বন্‌ধের ফলে পাহাড়ের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। দুর্দশার মধ্যে পাহাড়বাসীদের দিন কাটাতে হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ঠিক আছে, বিনয় তামাংও উত্তরকন্যার বৈঠকে থাকবেন। পাশাপাশি তিনি বৈঠকের পর পাহাড়ে গিয়ে অনশনও করবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। মোর্চা থেকে সরকারিভাবে কাদের উত্তরকন্যায় মঙ্গলবার পাঠানো হচ্ছে, তা এখনও জানা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় অচল হয়ে আছে। দু–‌একদিন হল কিছু দোকানপাট খুলেছে। মনে ভরসা নিয়ে কেউ কেউ বাড়ির বাইরে বেরিয়েছেন। মিরিকে কিছু যানবাহন চলছে। কিছুদিন আগে থেকেই মিরিকে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার কাজও শুরু হয়েছে। মন্ত্রী গৌতম দেব পাহাড় নিয়ে ব্যস্ত আছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনি কাজ করছেন। তিনি বলেছেন, পাহাড়ে শান্তি ফেরাতেই আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সত্যিই অভাবনীয়। আমরাও চাই, পাহাড়ের মানুষ অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসুক। তাঁর বিশ্বাস, অবিলম্বে পাহাড়ে শান্তি ফিরবে।‌ এদিকে, আজ দুপুরের বিমানেই মুখ্যমন্ত্রী বাগডোগরায় নামছেন। সেখান থেকে তিনি সোজা যাবেন উত্তরকন্যায়। কিছু জরুরি কাজ আছে তাঁর। পরের দিন দুপুরে উত্তরকন্যায় বৈঠক। এই বৈঠককে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আলোচনা চলছে। উত্তরবঙ্গের মানুষের মুখ্যমন্ত্রীর ওপর আস্থা ও ভরসা আছে। তিনি ঠিক সমাধানের পথ বের করবেন। বারবারই তিনি বলেছেন, যাঁরা পাহাড়ে হিংসার আন্দোলন করছেন, তাঁরা ঠিক করছেন না। অবিলম্বে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে ধ্বংসাত্মক আন্দোলন ছেড়ে পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনুন। তিনি এ–‌ও বলেছেন, আমি চাই, পাহাড়ে সব খুলে যাক। জনজীবন স্বাভাবিক হোক।

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

স্মৃতিতে প্রিয়রঞ্জন

বুধবার ২২ নভেম্বর, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top