আজকালের প্রতিবেদন : ‘‌কন্যাশ্রী’‌ প্রকল্পের জন্য রাজ্যের স্কুলগুলিতে মেয়েদের স্কুলছুটের সংখ্যা কমেছে। মঙ্গলবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষে নজরুল মঞ্চের অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওই অনুষ্ঠানেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এবার থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, অনুমোদিত মাদ্রাসার শিক্ষক, সকল শিক্ষাকর্মী, পার্শ্বশিক্ষক এবং বিভিন্ন শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষকদেরও ‘‌স্বাস্থ্যসাথী’‌ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হল৷ সব মিলিয়ে প্রায় ৫৫.‌৫ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এলেন। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আগামী বছর থেকে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষকদের সম্মান জানানোর জন্য জেলাতেও শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান করতে বলেন। এদিন ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের হাতে খাতা ও বিশ্ব বাংলার লোগো দেওয়া স্কুলব্যাগ তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ‘‌শিক্ষারত্ন’‌ সম্মান প্রদান করেন। বেশ কয়েকটি স্কুলের হাতে তুলে দেন সেরা স্কুলের সম্মান। 
এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য ১৬.৫ শতাংশ স্কুলছুট কমেছে৷ আগে কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতায় স্কুল ও কলেজের ছাত্রীরা ছিল। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদেরও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যাতে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত মেয়েরা পড়ার সুযোগ পায়। সেটাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য।’‌ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‌শিক্ষার ক্ষেত্রে হতাশার কোনও জায়গা নেই৷ দেড় হাজার স্কুলে ই–লার্নিং শুরু হয়েছে৷ রাজ্যে নতুন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক, আইটিআই তৈরি হয়েছে।’‌ সাধারণ পড়ুয়া, সংখ্যালঘু, ওবিসি, এসসি, এসটি পড়ুয়াদের জন্য যে বিভিন্ন স্কলারশিপের ব্যবস্থা রয়েছে তারও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘‌এখন নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের সাইকেল দেওয়া হয়। অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদেরও এই প্রকল্পের আওতায় আনার বিষয়টি ভাবছি।’‌
রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে আওতায় রয়েছেন রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আংশিক সময়ের শিক্ষক–সহ বিভিন্ন দপ্তরের ৪৭ লক্ষ কর্মী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল এবং অনুমোদিত মাদ্রাসার প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীকে এই প্রকল্পের অধীনে নিয়ে আসার কথা ঘোষণা করেন। বলেন, ‘‌শুধু এঁরাই নন, পার্শ্বশিক্ষক, শিশু, মাদ্রাসা ও মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্রের সম্প্রসারক–সম্প্রসারিকা, সর্বশিক্ষা মিশনের চুক্তিভিত্তিক কর্মী–সহ আরও ৪ লক্ষ কর্মীকে এর আওতায় আনা হল। সব মিলিয়ে প্রায় ৫৫.‌৫ লক্ষ শিক্ষক, কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং তাঁদের পরিবার এই প্রকল্পের অধীনে এল।’‌ 
অনুষ্ঠানে আসা ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, ‘‌শিক্ষকদের অসম্মান করবে না। শিক্ষকরা আমাদের শিক্ষাগুরু, দীক্ষাগুরু। আমরা আজ যে যেখানে দাঁড়িয়ে আছি তা শিক্ষকদের জন্যই। তাঁরাই শিক্ষা দিয়ে আমাদের এখানে এনেছেন।’‌ বাংলার মেধা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘‌বাংলার মেধা বিশ্ববিখ্যাত। গোটা পৃথিবীকে পথ দেখাচ্ছে এই বাংলার মেধাই। বাংলার মেধার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরেই সবাই হিংসা করে। সমালোচনা করে। কাঁকড়ার মতো টেনে নামাতে চায়।’‌ অনুষ্ঠানে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি। ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রাথমিক, মাধ্যমিক পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কর্তাব্যক্তি, সুবোধ সরকার–সহ বিশিষ্টরা।

 

শিক্ষক দিবসে পড়ুয়াদের স্কুলব্যাগ ও খাতা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী ব্যানার্জি, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। নজরুল মঞ্চে, মঙ্গলবার। ছবি: অমিত ধর

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top