‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ গোরখপুরে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৭০ ছাড়াল। বাবা রাঘব দাস মেডিক্যাল কলেজে রবিবার সকালে এনসেফালাইটিস আক্রান্ত আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত সেখানে মোট শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৬০। শনিবার ১১টি শিশুর মৃত্যুর পর একলাফে তা ৭০ ছাড়িয়ে যায় বলে জানিয়েছে সংবাদ সস্থা এএনআই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। আজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যাবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। অক্সিজেন সিলিন্ডারে ঘাটতির সঙ্গে শিশুমৃত্যুর কোনও যোগ নেই বলে আগেই জানিয়েছিল তাঁর সরকার। রবিবার সকালে তিনি নিজেও তাতে জোর দিয়েছেন। তদন্তে সেরকম কিছু প্রকাশ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে পিছপা হবেন না বলে ঘোষণা করেছেন। তবে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর অধরাই থেকে যাচ্ছে—  
১)‌ হাসপাতালে শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারই ২৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত যার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি সরকার। অক্সিজেনে ঘাটতি না এনসেফালাইটিস, শিশুমৃত্যুর আসল কারণ কী?‌ 
২)‌ বৃস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত, দু’‌ঘণ্টা হাসপাতালের অক্সিজেন জোগানে বিঘ্ন ঘটেছিল। সেই সময কতজন শিশুকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল?‌ 
৩)‌ রাত দেড়টার সময় ফের অক্সিজেনের জোগান দিল কে?‌ আর কীভাবেই বা দিল?‌
৪)‌ মৃত শিশুদের ময়নাতদন্তই হয়নি। তাহলে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সরকার নিশ্চিত হচ্ছে কীভাবে?‌
৫)‌ প্রায় ৬৮ লক্ষ টাকার পাওনা না মেটালে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বারবার সতর্ক করেছিল সরবরাহকারী সংস্থা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের কথা কানে তোলেনি কেন?‌
৬)‌ অক্সিজেনের অভাব যদি শিশুমৃত্যুর কারণ না হয়, তাহলে শুক্রবার রাতের মধ্যে তাড়াহুড়ো করে সরবরাহকারী সংস্থাকে মোট পাওনার আংশিক ২১ লক্ষ টাকা মেটানো হল কেন?‌ 
৭)‌ আরও আগে এই টাকা মেটানো হয়নি কেন?‌ 
‌‌হাসপাতালের বাইরে শিশুকে কোলে নিয়ে পরিবারের লোকজন। ছবি: পিটিআই।

Back To Top