শুভেন্দু রায়চৌধুরি, দিল্লি, ১২ অক্টোবর- দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সাম্প্রাদয়িক শক্তির বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে ব্যাপক ঐক্য গড়ে তোলার পক্ষে মোটামুটিভাবে একমত সিপিএম নেতৃত্ব। এই ঐক্য কেবল আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে, না তা নির্বাচনী সমঝোতা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, সেই বিষয়টির ফয়সালা হওয়ার কথা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আগামী বৈঠকে। ১৪ তারিখ থেকে তিনদিন চলবে সেই বৈঠক। তবে সেখানে যদি বিজেপি–‌কেই পয়লা নম্বর শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে কংগ্রেস সম্পর্কে কিছুটা নরম মনোভাব নেওয়া হয়, তাতে অবাক হওয়ার খুব কিছু থাকবে না।
কিছুদিন আগে পর্যন্ত কিন্তু এমন সম্ভাবনা ছিল ক্ষীণ। বিশাখাপত্তনম পার্টি কংগ্রেসের লাইন অনুযায়ী কংগ্রেস–বিজেপি উভয়ের থেকেই সমদূরত্ব বজায় রাখার নীতি নিয়ে চলছে সিপিএম। গত পলিটব্যুরোর বৈঠকে বেশ কিছু সদস্য চেয়েছিলেন যে সেই নীতিই বহাল থাকুক, এবং আগামী পার্টি কংগ্রেসের খসড়া রাজনৈতিক প্রস্তাবে সেকথাই লেখা হোক। অন্য কিছু সদস্যের মত ছিল যে এই মুহূর্তে বিজেপি–‌কেই প্রধান রাজনৈতিক শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হোক। এই মতবিরোধ ছিল কার্যত বাংলা ও কেরল লবির, বা সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে প্রকাশ কারাতের দ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ। পশ্চিমবঙ্গ সিপিএম কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলতে খুবই আগ্রহী। কিন্তু দলের কেরল শাখার আবার তাতে ঘোরতর আপত্তি ছিল। কারণ ওই রাজ্যে সিপিএমের প্রধান প্রতিপক্ষই হল কংগ্রেস। যেহেতু পলিটব্যুরো বা কেন্দ্রীয় কমিটিতে কেরল লবির লোকেরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাই সেই মতটাই গৃহীত হবে, এটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু সেই পরিস্থিতি বদল গেছে কেরল ও ত্রিপুরায় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে বিজেপি–‌‌র মরিয়া হয়ে ওঠায়। এখন কেরল লবির কিছু নেতাও মনে করছেন সমদূরত্ব ছেড়ে বিজেপি–‌কে প্রথম প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করার সময় এসে গেছে।
কেরলে রাজনৈতিক হত্যা এবং সঙ্ঘর্ষের প্রতিবাদে জনরক্ষক যাত্রা শুরু করে বিজেপি। সেই যাত্রায় শামিল হন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মতো হেভিওয়েট নেতা। অন্যদিকে ত্রিপুরাতে পৃথক রাজ্যের দাবিকেও উসকে দেওয়া হয় বিজেপি–‌র তরফে। যার ফলে দীর্ঘদিন শান্ত থাকা ওই রাজ্য আবার নতুন করে অশান্ত হয়ে উঠেছে। ১৯৮৮ সালে উপজাতিদের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেছিল কংগ্রেস। বিজেপি এখন কংগ্রেসের দেখানো পথেই চলতে চাইছে। সেই কারণে ২০১৮ সালের  বিধানসভা নির্বাচনে উপজাতিদের সঙ্গে আঁতাত করার চেষ্টা এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। এই সব দেখেশুনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিপিএম নেতা বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে দেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ হল সঙ্ঘ তথা বিজেপি–‌র মেরুকরণের রাজনীতি। এই মতটাই দলের কেন্দ্রীয় কমিটি মেনে নেবে বলে মনে করছি।’ 
সিপিএমের আগামী কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকেই চূড়ান্ত হবে এপ্রিলে হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত হতে চলা পার্টি কংগ্রেসের রাজনৈতিক খসড়া। 

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

শনিবার ৮ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি, আমেরিকা

শনিবার ১ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

Back To Top