মিল্টন সেন— হেলমেটবিহীন বাইক আরোহীকে মারধরের অভিযোগে পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকাবাসী। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিয়ে কেন মারা হল, তা নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ এলাকা অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি গতকাল রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ বৈদ্যবাটিতে ঘটে। পরে পুলিস ভুল স্বীকার করলে, আধঘণ্টা পর বিক্ষোভ ওঠে। জানা গেছে, শ্রীরামপুরের এসডিপিও কামনাশিস সেন বেশ কিছু পুলিসকর্মীর সঙ্গে টহলে বেরিয়েছিলেন। কয়েকদিন ধরে বৈদ্যবাটির নিমাইতীর্থ গঙ্গার ঘাটে তারকেশ্বর যাত্রীরা জল নেওয়ার জন্য ভিড় জমাচ্ছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্যই পুলিস মোতায়েন করা হয়েছিল। সেই সময়ে একই বাইকে বৈদ্যবাটির অশ্বত্থতলার কাছে হেলমেটহীন ৩ যাত্রী দেখে পুলিস তাদের থামতে বলে। কিন্তু পুলিসের নির্দেশে কান না দিয়ে তারা গতি বাড়িয়ে পালায়। এর পর বৈদ্যবাটি রেলগেটের কাছে ধরা হয় তাদের। পুলিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাইক থেকে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় তাদের। সেই সময় ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র সায়ন্তন গোস্বামী ও আরও কয়েকজন বাইক চালক। তাদের কারও মাথায় হেলমেট ছিল না। অভিযোগ, আইন না মেনে তাঁদেরও পুলিস পেটায়। এই ঘটনায় আহত বাইক চালকদের পাশে দাঁড়িয়ে পড়েন এলাকার লোকজন। শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ, অবরোধ। তাঁদের দাবি, হেলমেট না থাকায় পুলিস কাউকে মারধর করতে পারে না। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে তাদের গায়ে হাত দিয়ে পুলিস ঠিক করেনি। পুলিসকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া সায়ন্তন গোস্বামীর মা জয়ন্তী গোস্বামী দাবি করেন, এসডিপিওকে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি বলেন, বাড়িতে অনুষ্ঠান ছিল, তাই সায়ন্তন দোকান থেকে কিছু জিনিস আনতে গিয়েছিল। ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যেতে দেখে ঘটনাস্থলে পৌছন কামনাশিস সেন। পুলিস ভুল স্বীকার করলে, রাত ১১টা নাগাদ বিক্ষোভ, অবরোধ উঠে যায়। প্রায় আধ ঘণ্টা সেখানকার রেলগেট অবরুদ্ধ ছিল। ‌‌‌

আহত সায়ন্তনকে রাস্তা থেকে তুলছেন স্থানীয়রা। ছবি:‌ মিল্টন সেন

জনপ্রিয়

বিদায় ২০০০, আসছে ২০০

বুধবার ২৬ জুলাই, ২০১৭

নীতীশের সিদ্ধান্তে অপমানিত শরদ 

বৃহস্পতিবার ২৭ জুলাই, ২০১৭

চীনে পরমাণু হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

বৃহস্পতিবার ২৭ জুলাই, ২০১৭

Back To Top