প্রদীপ দে, বহরমপুর: তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ জেলার সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ মান্নান হোসেন (‌৬৫) প্রয়াত‌। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন কিডনি–সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর কিডনি বদলও হয়েছিল।
মান্নানের হাত ধরেই তৃণমূল মুর্শিদাবাদে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছিল। ছাত্র মান্নান কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হন। কংগ্রেস ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান। ১৯৮৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে জেলা পরিষদে নির্বাচিত হন। তারপর ১৯৮৭–তে মুর্শিদাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে সিপিএমের জাঁদরেল প্রার্থী মইনুল হাসানকে হারিয়ে প্রথম সাংসদ হয়ে দিল্লি যান। ২০০৯ –এর লোকসভা ভোটেও জয়ী হন। কিন্ত ২০১৪–তে মান্নান হেরে যান। এরপরই সরাসরি বিরোধ শুরু অধীর চৌধুরির সঙ্গে। ২০১৫–তে সদলবলে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। মান্নান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। মমতা যখন প্রদেশ যুব সভাপতি ছিলেন, মান্নান ছিলেন মুর্শিদাবাদের যুব সভাপতি। আজ যে মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের বাড়বাড়ন্ত তার নায়ক মান্নান। মান্নানের দুই ছেলে, বড় রাজীব তৃণমূলের লালবাগ মহকুমা সভাপতি। আর ছোট ছেলে সৌমিক তৃণমূলের রাজ্য যুব নেতা ও ডোমকল পুরসভার চেয়ারম্যান।
কিডনি বদলের জন্য পুজোর পর কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মান্নান। ৪ অক্টোবর অপারেশন হয়। ক’‌দিন আগে হাসপাতাল থেকে কলকাতার ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সোমবার হঠাৎ করে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ফের হাসপাতালে আইসিসিইউতে রাখা হয়। মান্নান রেখে গেলেন দুই ছেলে, দুই মেয়ে ও স্ত্রী বুলবুল দাসকে। খাগড়াঘাটের বাড়ি হয়ে বুধবার সকালে মৃতদেহ আনা হবে জেলা অফিসে। বুধবারই তাঁকে সমাহিত করা হবে।‌

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top