আজকালের প্রতিবেদন: গত মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ হয়নি। এ বছর প্রত্যাবর্তনটা স্মরণীয় করে রাখল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। ঘরের মাঠে গ্রুপ লিগে সুইস ক্লাব বাসেলের বিরুদ্ধে খেলা ছিল হোসে মোরিনহোর দলের। ওল্ড ট্রাফোর্ডের চেনা আবহে হোসে মোরিনহোর ছেলেরা ৩–‌০ ব্যবধানে হারিয়েছে বাসেলকে। ৩৫ মিনিটে ম্যান ইউ–কে এগিয়ে দেন মারুয়ানে ফেলাইনি। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে ১৯ মিনিটে মাঠের বাইরে চলে যান পল পোগবা। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামেন ফেলাইনি। ৫৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান লুকাকু। নতুন ক্লাবের জার্সিতে টানা ছয় ম্যাচে গোল করে ফেললেন লুকাকু। খেলা শেষ হওযার মিনিট ছয়েক আগে ‘‌রেড ডেভিলস’–‌দের হয়ে তৃতীয় গোল মার্কাস রাশফোর্ডের। প্রথম ম্যাচেই মসৃণ জয় আসায় খুশি মোরিনহো। নিজেদের দ্বিতীয় পর্যায়ের দল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন মোরিনহো। তাঁর মতে, রিয়েল মাদ্রিদ, বার্সিলোনা, বায়ার্ন মিউনিখের মতো দলগুলির কাছে গ্রুপ লিগের ম্যাচ ওয়ার্ম আপের মতো। মোরিনহো বলেন, ‘‌এখন আমরা বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করছি। আর রিয়েল মাদ্রিদ, বার্সিলোনা, বায়ার্নের মতো দলগুলোর কাছে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ। ফেব্রুয়ারিতে আমাদের সঙ্গে ওদের আসল লড়াই হবে। আমি মনে করি, আমরা দ্বিতীয় সারির দল। নকআউটে কোয়ালিফাই করল বড় দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পাব।’‌
এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মতোই চেলসিও এদিন ঝকঝকে জয় পেল। ঘরের মাঠে কারাবাগকে ৬–০ ব্যবধানে চূর্ণ করল। খেলার ৫ মিনিটে পেদ্রোর গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। ৩০ মিনিটে জাপাকোস্টা ২–‌০ করেন। বিরতির পর চেলসি আরও আক্রমণাত্মক। ৫৫ থেকে ৮২, এই ২৭ মিনিটে আরও ৪টি গোল করে চেলসি। অ্যাজপিলিকুয়েটা (‌‌৫৫ মিনিট)‌‌, বাকায়োকো (‌‌৭১ মিনিট)‌‌, বাতশুয়াই (‌‌৭৪ মিনিট)‌‌ ও মেডভেডেভের করা ৮২ মিনিটের আত্মঘাতী গোলে চেলসির গোল প্লাবন। 
সেল্টিককে ৫–‌০ গোলে উড়িয়ে দিল প্যারিস সাঁ জাঁ। সাঁ জাঁ–কে ১৯ মিনিটে এগিয়ে দেন নেইমার। ৩৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন এমবাপে। মোনাকোর হয়ে গত মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক‌আউট পর্বে ৫টি গোল করেছিলেন এমবাপে। এদিন নতুন ক্লাবের জার্সিতেও গোলের খাতা খুলে ফেললেন। এদিন জোড়া গোল করে নায়ক এডিনসন কাভানি। বিরতির মিনিট পাঁচেক আগে পেনাল্টি থেকে কাভানির প্রথম গোল। তাঁর দ্বিতীয় গোল ম্যাচের ৮৫ মিনিটে। ৮৩ মিনিটে লাস্টিগের আত্মঘাতী গোল সাঁ জাঁ–‌র জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে দেয়। এদিকে, নেইমার মঙ্গলবার গোল পেলেও খেলা শেষের পর বিতর্কেও জড়ালেন। ম্যাচে যখন তাঁর দল ৩–‌০ এগিয়ে তখন বিপক্ষ বক্সের মধ্যে বল আয়ত্তে আনতে গিয়ে ব্রাজিলীয় তারকা মাটিতে পড়ে যান। যা দেখে সামনে দাঁড়ানো সেল্টিকের ১৮ বর্ষীয় ডিফেন্ডার অ্যান্টনি রালস্টন বিদ্রুপ করে হেসে ফেলেন। স্বভাবতই নেইমার এতে খুশি হননি। খেলা শেষের পর রালস্টনের সঙ্গে জার্সি বদল দূরের কথা, ন্যূনতম সৌজন্য দেখিয়ে করমর্দনও করেননি। যদিও দলের খেলায় খুশি নেইমার। এমবাপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘‌এমবাপে খুব ভাল ফুটবলার। কিন্তু ওর আরও উন্নতি করার ক্ষমতা রয়েছে।’‌ 
অন্য ম্যাচে রোমা–অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ গোলশূন্য ড্র। সহজ জয় পেল বায়ার্ন মিউনিখ। ৩–‌০ হারাল অ্যান্ডারলেখটকে। লেওয়ানডস্কি, আলকান্তারা ও কিমিচ বায়ার্নের হয়ে গোল 

আবার জ্বলে উঠল নেইমার–‌কাভানি জুটি। ছবি:‌ এএফপি

জনপ্রিয়

মুকুলকে নিতে আগ্রহী বিজেপি

বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

অসীম ঘটকের শেষকৃত্য সম্পন্ন

বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

থিম ‘‌কন্যাশ্রী’‌ বাঁধল গঙ্গা, টেমসকে  

বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

শনিবার ৮ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি, আমেরিকা

শনিবার ১ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

Back To Top