আজকালের প্রতিবেদন: অধিনায়ক কিংশুকের গাড়িতে চেপেই বুধবার অনুশীলন শেষে মেডিকায় গিয়ে আই লিগে মোহনবাগানের কোচ সঞ্জয় সেনকে দেখে এলেন আজহারউদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন আরও তিন ফুটবলার পিন্টু মাহাতো, অরিজিৎ বাগুই ও সৌরভ দাস। এদিনই আইটিইউ থেকে জেনারেল বেডে সরানো হয়েছে সঞ্জয়কে। নিজের দলের ফুটবলারদের কাছে পেয়ে বাগানের মেন্টর বেশ চনমনে। হাসপাতালের শয্যায় শুয়েও কলকাতা লিগে নিজের দলের সাফল্য কামনা করেন তিনি। সঞ্জয় স্যরের সঙ্গে অল্প সময় কাটিয়ে বাড়ির পথ ধরেন কিংশুক। আজহাররা ফেরেন মেসে।
সঞ্জয়ের হাত ধরেই মোহনবাগানে আসা আজহারের। স্বাভাবিকভাবে তাঁর সঙ্গে কথা বলে আজহার যেন আরও সতেজ। হাসপাতাল ছাড়ার মুখে আজহার বলেন, ‘মহমেডান ম্যাচে আমার করা ২ গোলে দল জেতায় খুশি স্যর। বললেন, এখানেই থেমে থাকলে হবে না, আরও ভাল খেলতে হবে, ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে গোল করায়। চাই, স্যর তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরুন।’‌ ডার্বি নিয়ে কোনও টিপস কি দিলেন সঞ্জয়?‌ আজহারের জবাব, ‘না না, এ সব নিয়ে কোনও কথাই হয়নি। আর আমিও এখন ডার্বি নিয়ে ভাবছি না। সামনে পিয়ারলেস ম্যাচ। ওই ম্যাচ জেতাই একমাত্র লক্ষ্য।’‌ এদিন মাঠে কোনও অনুশীলন হয়নি। আজহার, কিংশুকরা সময় কাটান জিমে। সেখানে ফুটবলাররা ছিলেন বেশ খোশমেজাজে। খুনসুটিতে মেতেছিলেন সকলে। চিত্রসাংবাদিকদের ক্যামেরার ঝলকানি কিংবা বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ক্যামেরা তাঁর দিকে তাক করলেই লজ্জায় গুটিয়ে যাচ্ছিলেন আজহার। বলেও ফেলেন, ‘‌প্লিজ আমার একার ছবি তুলবেন না। দলের বাকিদের ছবিও নিন। বাকিদের সাহায্য ছাড়া গোল পেতাম না।’‌
বুঝতে অসুবিধা নেই, মিনি ডার্বিতে গোল করেও আজহারের মাথাটা ঘুরে যায়নি। মহমেডানের বিরুদ্ধে জয়সূচক গোলের ক্রসটা এসেছিল চেস্টারপলের কাছ থেকে। তাই চেস্টারপলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশে কোনও কসুর করলেন না আজহার। বাবা–‌মা, ছেলেবেলার কোচ সমীর পালের সঙ্গে ফোনে ইতিমধ্যেই কথা হয়েছে তাঁর। সমীর স্যর কী বললেন?‌ আজহারের উত্তর, ‘‌খেলায় মনঃসংযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন স্যর। গোলের সুযোগগুলো আরও বেশি করে কাজে লাগানোর কথা বলেছেন। সেটা মাথায় রাখব।’‌ ২৪ সেপ্টেম্বর শিলিগুড়িতে কলকাতা লিগের ডার্বিতে খেলে মশাটের বাড়ি যাবেন আজহার। মায়ের হাতে রান্না করা সবচেয়ে প্রিয় ভাত–‌মাংসের স্বাদ পেতে।‌‌‌

সিএবি–‌র জিমে লিংডোকে নিয়ে গা ঘামাচ্ছেন আজহার।ছবি:‌ অভিষেক চক্রবর্তী

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top