বিভাস ভট্টাচার্য: দার্জিলিং চিড়িয়াখানার জন্য জার্মানি থেকে চারটি ‘‌টাকিন’‌ আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। এরজন্য জার্মানিকে দিতে হবে একজোড়া রেড পান্ডা। কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে এ ব্যাপারে জার্মানির সঙ্গে কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দার্জিলিঙের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিকাল পার্ক–এর আধিকারিক পি আর চাঁদ। 
‘‌বার্লিন চিড়িয়াখানা থেকে এই জন্তুটি আমরা পাব। এর আগে এই জন্তুটি ভারতের আর কোনো চিড়িয়াখানায় আনা হয়নি। সুতরাং সেদিক থেকে দেখতে গেলে দার্জিলিং হবে প্রথম চিড়িয়াখানা যেখানে টাকিন থাকবে। এর বিনিময়ে আমাদের বার্লিনের চিড়িয়াখানাকে একজোড়া রেড পান্ডা দিতে হবে’,‌ পি আর চঁাদ, পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিকাল পার্ক–এর আধিকারিক জানালেন এ কথা। 
উল্লেখ্য, রেড পান্ডা, তুষার চিতা এবং অন্যান্য বিপন্নপ্রায় প্রজাতির প্রাণীর সংরক্ষণ এবং প্রজনন–কেন্দ্র হিসেবে পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুলজিকাল পার্ক ভারতের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ চিড়িয়াখানা বলে বিবেচিত। 
টাকিন বা উচ্চারণ ভেদে তাকিন হল একটি ছাগল জাতীয় তৃণভোজী প্রাণী। এর বাসস্থান মূলত পূর্ব হিমালয় এলাকায়। প্রাণীটি মূলত শীতপ্রধান এলাকাতেই থাকতে পারে। শীতের সঙ্গে লড়াই করার জন্য এদের গায়ে আছে পুরু লোমের স্তর। এরা দল বেঁধে থাকে। পৃথিবীতে টাকিনের সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে বলেই জানিয়েছেন বন দপ্তরের আধিকারিকরা। পড়শি দেশ ভুটান এই প্রাণীটিকে তাদের দেশের জাতীয় পশুর মর্যাদা দিয়েছে। 
ভারতে এই প্রাণীটিকে অরুণাচল প্রদেশের জঙ্গলে দেখতে পাওয়া যায়। প্রাণীটি যেহেতু অতিরিক্ত শীতে থাকতে পছন্দ করে সে কারণে এটি উঠে যায় পাহাড়ের বিভিন্ন খাদে। ফলে চট করে ইচ্ছে করলেই জঙ্গলে এটির দেখা পাওয়া যায় না বলেই জানিয়েছেন রাজ্য বন দপ্তরের এক আধিকারিক। 
অরুণাচল প্রদেশের জঙ্গলে থাকা সত্ত্বেও কেন এই প্রাণীটিকে বিদেশ থেকে আনতে হচ্ছে?‌ উত্তরে পি আর চঁাদ জানিয়েছেন, ‘‌ইচ্ছে করলেই জঙ্গল থেকে কোনও জন্তুকে ধরে চিড়িয়াখানায় এনে রেখে দেওয়া যায় না। তার জন্য লাগে সরকারের অনুমতি। ফলে রাজ্য বা দেশ, প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে বিনিময় প্রথার মাধ্যমে এইভাবেই জন্তু জোগাড় করে।’‌‌‌  যে বিষয়টি আপাতত চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলেছে সেটি হল দার্জিলিং ও তার আশেপাশের এলাকার অচলাবস্থা। এর আগেই চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, চলতে থাকা অচলাবস্থার জন্য পশুদের খাবার জোগাড় করা নিয়ে তাঁরা যথেষ্ট চিন্তিত। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে তাঁদেরকে স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য নিতে হতে পারেও বলে জানিয়েছিলেন পি আর চাঁদ। 
‘যে ঠিকাদার আমাদের মাংস বা অন্যান্য শস্যদানা সরবরাহ করে তারা আমাদের কাছে এসে প্রশাসনিক সাহায্যের জন্য  অনুরোধ করে। সেইমতো আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে তাদের সহযোগিতায় ঠিকাদার শিলিগুড়ি থেকে চিড়িয়াখানার জন্তুদের জন্য খাবার নিয়ে আসছে‌’,‌ জানালেন পি আর চাঁদ।‌

‘‌টাকিন’‌ আনতে চলেছে রাজ্য সরকার।

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

স্মৃতিতে প্রিয়রঞ্জন

বুধবার ২২ নভেম্বর, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top