দার্জিলিং,সঞ্জয় বিশ্বাস:‌ মোর্চার লাগানো আগুনে ছাই হয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের বহু সরকারি দপ্তর। একের পর এক সরকারি দপ্তর ধ্বংস করছে মোর্চা। গতকাল রাতেও একাধিক জায়গায় আগুন লাগানো হয়েছে। সিঙ্গিতাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে আগুন দেয় মোর্চা। পুড়িয়ে দেওয়া হয় সমস্ত নথিপত্র। মোর্চার দেওয়া আগুনে নিপ্পন তমলু গেস্ট হাউস পুড়ে গেছে। সালেবংয়ের বন দপ্তর কার্যালয়েও দেওয়া হয়েছে আগুন। এর পাশাপাশি লোধামার গ্রাম পঞ্চায়েত ভাঙচুর ও সেখানকার থানায় পাথর ছুঁড়েছে মোর্চার আন্দোলনকারীরা। গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের নামে পাহাড়জুড়ে সরকারি সম্পত্তি জ্বালিয়ে, পুড়িয়ে দেওয়ার তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। বাদ যাচ্ছে না হেরিটেজ। গতকাল গোর্খাল্যান্ড মুভমেন্ট কো–অর্ডিনেশন কমিটির কর্মসূচি ছিল পাহাড়ের সর্বত্র সরকারি দপ্তর ঘেরাও করা। কিন্তু পরে তা স্থগিত হয়ে যায়। আজ থেকে পাহাড়ে অনশনে বসার কথা ছিল মোর্চার। তাও স্থগিত হয়ে গেছে। গতকাল সিংমারি থেকে খুকরি নিয়ে বিশাল মিছিল বের করে মহিলা মোর্চা। পাহাড়ে রাজ্য সরকার খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাঠাতে তৎপর হলেও মোর্চার জঙ্গি আন্দোলনের জন্য তা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। যে কারণে পাহাড়ের রসদ প্রায় শেষের দিকে। বাধ্য হয়ে অনেকেই পাহাড় থেকে নেমে লুকিয়ে চুরিয়ে শিলিগুড়ি থেকে খাদ্যসামগ্রী কিনছেন। অন্যদিকে আগুন হচ্ছে শিলিগুড়ির বাজার। রাতারাতি দাম বাড়ছে খাবারের। পাহাড়ের রেশন দোকানগুলি খুলতে চাইছে সরকার। কিন্তু গাড়ি চালকদের জন্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রেগুলেটেড মার্কেট, নয়াবাজার সব জায়গাতেই জিনিসের দাম হু হু করে বাড়ছে। ভোর ও সন্ধের দিকে জিনিসপত্র নিয়ে গাড়ি আসছে। বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে খাবার–‌দাবার। অন্যদিকে, অতিরিক্ত আধাসেনা মোতায়েনের জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট ও কলকাতা হাইকোর্ট। একইদিনে আলাদা আলাদা দুটি মামলায় দুই আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্য আগেই অতিরিক্ত বাহিনীর জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু রাজ্যের কাছে যথেষ্ট বাহিনী আছে এই যুক্তি দেখিয়ে বাহিনী পাঠায়নি কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই ১১ কোম্পানি আধাসেনা রয়েছে পাহাড়ে। কোর্টের নির্দেশের পর আরও আধাসেনা পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। একই আদালত নির্দেশ দিয়েছে শুধুমাত্র দার্জিলিং ও কালিম্পঙের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয়বাহিনীকে ব্যবহার করতে হবে। এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব পক্ষকেই সাহায্য করতে হবে। প্রায় এক মাস ধরে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ থাকায় সিকিমের জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। শিশুখাদ্য এবং জরুরি ওষুধ পৌঁছচ্ছে না। ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক স্বাভাবিক করার আর্জিতেও কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিকিম সরকার। ‌

 

জ্বলছে পঞ্চায়েত অফিস। ছবি:‌ আজকাল      ‌

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

স্মৃতিতে প্রিয়রঞ্জন

বুধবার ২২ নভেম্বর, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top