সঞ্জয় বিশ্বাস, অলক সরকার, দার্জিলিং ও শিলিগুড়ি: পাহাড় বন্‌ধের ৫৯ দিন পূর্ণ হল। প্রথম দিন থেকেই পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় মিছিল বেরোচ্ছে। মিছিল বলতে ছিল মূলত গোর্খাল্যান্ড মুভমেন্ট কমিটির সব দলের সমন্বয়। মাঝে ক্রমে দু–‌একটি দলকে দূরে সরে যেতে দেখা গেছে। জিএনএলএফ মোর্চার সঙ্গে মিছিল করলেও, আলাদা করে কর্মসূচি নিচ্ছিল। কিন্তু ৯ আগস্ট থেকে নতুন দৃশ্যপট দেখতে পাচ্ছেন পাহাড়ের মানুষ। মিছিল হচ্ছে, কিন্তু মিছিলে মোর্চা একা। অন্য কোনও শরিক দলের চিহ্নমাত্র চোখে পড়ছে না। মোর্চার কালিম্পং জেলার সহ–‌সভাপতি তথা গোর্খাল্যান্ড সমন্বয় কমিটির সমন্বায়ক কল্যাণ দেওয়ান বা মণি গুরুং সে–‌কথা চেপে রাখতে পারেননি। এদিন দার্জিলিঙে এক সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বললেন, ‘‌সমন্বয় কমিটি গড়ে আমরা আন্দোলনে নামলেও অনেক দলই মিছিলে–‌মিটিংয়ে আসছে না। এটা ঠিক নয়। সবার এক সঙ্গে থেকেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত।’‌ এদিকে পাহাড়ের আন্দোলনে মোর্চা ক্রমশ একা হয়ে পড়ায় জল্পনাও চলছে বেশ। জিএনএলএফ সুপ্রিমো মন ঘিসিং এবং জন আন্দোলন পার্টির নেতা হরকাবাহাদুর ছেত্রি পাহাড় ছেড়ে আপাতত দিল্লিতে বসে রণকৌশল তৈরি করছেন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, শুধুমাত্র রণকৌশল তৈরি করতে দিল্লিতে থাকতে হবে, এর কোনও যৌক্তিকতা নেই। আসলে মোর্চার মতের সঙ্গে সেভাবে বনিবনা হচ্ছে না পাহাড়ের অন্য দলগুলির। বিষয়টি প্রকাশ্যে না এলেও, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে মোর্চা যে অনেকটাই বেকায়দায়, সেটা তাদের হাবেভাবেই বোঝা যাচ্ছে। কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তীব্র আন্দোলনের হুঙ্কার দিয়েছিলেন গুরুং। সেই সময় শেষ। কিন্তু হুঙ্কারই সার। আন্দোলনকে আর তীব্র করতে পারছে না মোর্চা। কারণ একটাই, শরিকদের পাশে থাকতে দেখা যাচ্ছে না। এদিনও দার্জিলিঙের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক শ্রেণির মানুষকে হতাশ হয়ে ঘুরতে দেখা গেছে। রোজ এঁরা পাহাড়ের কোনও এক এলাকায় জমায়েত হচ্ছেন কাজের আশায়। কিন্তু দিন শেষে খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে। দলবাহাদুর তামাং, সুভাষ ছেত্রিরা জানান, ‘‌কাজ না থাকায় আমাদের সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। আমরাও চাই গোর্খাল্যান্ড। কিন্তু আন্দোলন করার শক্তি ক্রমশ হারিয়ে ফেলছি।’‌ ওদিকে, তিন দিন ধরে পাহাড়ে সংবাদপত্রও উঠছে না। পাছে গাড়ি পুড়িয়ে দেয়, এই ভয়ে কোনও গাড়িচালক পাহাড়ে উঠতে রাজি হচ্ছেন না। বন্ধ ইন্টারনেট এবং স্থানীয় কেব্‌ল চ্যানেল। সংবাদপত্রও না ওঠায় পাহাড়ের মানুষ বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে কিছুই জানতে পারছেন না। 
এর মধ্যেই পাহাড় জুড়ে পুলিস ও আধাসেনার অভিযান ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রোজই বিমল গুরুংয়ের বাড়ি পাতলেবাসে এবং মালিধুরা এলাকায় টহল দিচ্ছে আধাসেনা। তা নিয়ে তুমুল হইচই চলছে। এদিন দার্জিলিঙের কোথাও জমায়েত বা পিকেটিং করতে দেওয়া হয়নি।‌‌

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

শনিবার ৮ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি, আমেরিকা

শনিবার ১ জুলাই, ২০১৭

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

Back To Top