অলক সরকার,শিলিগুড়ি: উত্তরকন্যার বৈঠকের পর আরও কোণঠাসা বিমল গুরুং। একইসঙ্গে দিশেহারা। একবার বলছেন, বন্‌ধ আমি ডাকিনি। যে বন্‌ধ ডেকেছে, সে তুলবে। আবার ভোলবদলে বলছেন, উত্তরকন্যায় গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আলোচনা হয়নি, তাই বন্‌ধ চলবে। পায়ের তলার মাটি ক্রমশ আলগা হচ্ছে। খাস দার্জিলিঙেই তাঁর হয়ে মিছিল করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। পাহাড়ের সব রাজনৈতিক দল একসুরে কথা বলায় ঢোক গিলছেন তিনি। ফলে পায়ের তলার মাটি শক্ত রাখতে সেই হুমকির পথেই ফিরছেন। এমনটাই মনে করছেন পাহাড়ের জনতা। এদিন পাহাড়ের নতুন নেতা বিনয় তামাংয়ের নাম না করে ফের আক্রমণ করেন গুরুংকে। বলেন, মঙ্গলবারের পর থেকে লাগাতার হুমকি দেওয়া চলছে। কিন্তু এ সবের পরোয়া করছি না। আশা করছি দু–তিনদিনের মধ্যে পাহাড়ের বন্‌ধ উঠে যাবে। মানুষ নিজেরাই এই বন্‌ধ তুলে দেবেন। অন্যদিকে তিনি আরও জানান, পুজোর আগেই দিল্লি যাচ্ছেন। কেন্দ্রের সঙ্গেও পাহাড় নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। বিনয়ের দাবি, তিনি এখনও আইনত মোর্চাতেই আছেন। ফলে প্রতিষ্ঠাতা নেতা হিসেবে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা করার অধিকারও আছে। বিনয় তামাং যে ক্রমশ পাহাড়ের রাশ শক্ত হাতে ধরার সমস্তরকম কৌশল নিচ্ছেন, সেটা পরিষ্কার। শুধু তিনিই নয়, তাঁর অন্যতম সহযোগী অনীত থাপাও এক মুহূর্ত বসে নেই। এদিন কার্শিয়াঙে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিকেলের পর আলোচনায় বসেছেন। সেখানে মূল আলোচ্য বিষয় পাহাড়ের অচলাবস্থা তুলে ফেলা। বিমল গুরুং গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পরেই পরিস্থিতি আন্দাজ করে অডিও বার্তায় জানিয়ে দেন, পাহাড়ে অনির্দিষ্টকালের বন্‌ধ তিনি ডাকেননি। এই বন্‌ধ ডেকেছেন বিনয় তামাং। এবং বন্‌ধ তোলার ব্যাপারে বিনয় তামাংকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই বক্তব্যে শোরগোল পড়ে যায় পাহাড়ে। মোর্চার মধ্যেও তোলপাড় শুরু হয়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, পাহাড়ের পরিস্থিতি না বুঝে বিমল গুরুং যা খুশি তাই মন্তব্য করছেন। যাতে নিজের সংগঠনের ক্ষতি হবে। বিষয়টি নিয়ে এতটাই চর্চা হয় যে, মঙ্গলবার রাতেই আবার একটি নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে গুরুং ভোল পাল্টে জানিয়ে দেন, গোর্খাল্যান্ড নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়নি। ফলে বন্‌ধ চলবেই। ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের ব্যবস্থা করতে হবে। ১ ঘণ্টার মধ্যে গুরুংয়ের দু’রকম মন্তব্যে নিজেই হাসির খোরাক হচ্ছেন। বিনয় তামাংই যদি বন্‌ধ ডেকে থাকেন, তবে বিমল গুরুং সেই বন্‌ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার কে? এমন উদ্ভট মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে গুরুংয়ের চাপে থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এদিকে, এদিন কালিম্পঙে হরকাবাহাদুর ছেত্রি জাপের পক্ষ হয়ে একটি ছোট পথসভা করেন। সেখানে  উত্তরকন্যায় হওয়া বৈঠকের বিস্তারিত জনতাকে জানান। মোর্চার বিধায়ক সরিতা রাইও একইরকম পথসভা করেছেন। যদিও দার্জিলিঙে এদিন কোনও মিছিল বা মিটিং হয়নি। পুরো শান্ত ছিল। এই নিয়ে ৪ দিন দার্জিলিঙে মোর্চার মিছিল হল না। তবে সোনাদায় সিপিআরএম একটি সভা করেছে। ‌‌

সচল দার্জিলিং। বুধবার। ছবি: সঞ্জয় বিশ্বাস

বঙ্গ সংস্কৃতি অস্ট্রেলিয়া

বুধবার ৮ নভেম্বর, ২০১৭

চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজা

শুক্রবার ২৭ অক্টোবর, ২০১৭

রাত পোহালেই কোজাগরি লক্ষীপুজো

বুধবার ৪ অক্টোবর, ২০১৭

সিঁদুর খেলায় তারকা সমাবেশ

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

কলকাতা পুজো কার্নিভাল

মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর, ২০১৭

গণেশ বন্দনায় মেতেছে বলিউড

বৃহস্পতিবার ২৪ আগষ্ট, ২০১৭

ফুলে ঢাকা চিলির মরুভূমি

বুধবার ২৩ আগষ্ট, ২০১৭

পুতিনের মেমেতে ছয়লাপ রাশিয়া

রবিবার ৬ আগষ্ট, ২০১৭

শহীদ অমিতাভকে শেষ শ্রদ্ধা

শনিবার ১৪ অক্টোবর, ২০১৭

সারমেয় সজ্জা

সোমবার ৩১ জুলাই, ২০১৭

Back To Top